তাজা খবর:

বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগ ব্যবস্থা বাতিল করেছে মালয়েশিয়া                    নির্বাচনে জয় না এলে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা দায়ী : প্রধানমন্ত্রী                    কর্মস্থলে ফেরার জন্য মানুষের উপচে পড়া ভিড় পটুয়াখালী নদী বন্দরে                    গোবিন্দগঞ্জে ব্রীজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার                    প্রিয় শিক্ষকের বদলি ঠেকাতে অদ্ভুত এক কাণ্ড ঘটিয়েছে ছাত্র-ছাত্রীরা                    বাসায় ফিরেও মাঝরাতে আবার হাসপাতালে পরীমনি                    বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা নিবেদন                    রংপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৬                    গাইবান্ধায় বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৬                    টাকার বিনিময়ে আপসের ‘প্রস্তাব’                    
  • রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮, ১১ আষাঢ় ১৪২৫

অবশেষে বিয়ে করলেন বাপ্পা-তানিয়া

অবশেষে বিয়ে করলেন বাপ্পা-তানিয়া

বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিলো। অবশেষে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বাপ্পা মজুমদার এবং

প্রিয় শিক্ষকের বদলি ঠেকাতে অদ্ভুত এক কাণ্ড ঘটিয়েছে ছাত্র-ছাত্রীরা

প্রিয় শিক্ষকের বদলি ঠেকাতে অদ্ভুত এক কাণ্ড ঘটিয়েছে ছাত্র-ছাত্রীরা

অকৃতিম এক ভালোবাসা নজির। প্রিয় শিক্ষকের বদলি ঠেকাতে অদ্ভুত এক কাণ্ড ঘটিয়েছে তার

বাসায় ফিরেও মাঝরাতে আবার হাসপাতালে পরীমনি

বাসায় ফিরেও মাঝরাতে আবার হাসপাতালে পরীমনি

আবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি । জানা গেছে, রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে গতকাল

গর্ভে দুলাভাইয়ের সন্তান, আপত্তি নেই বোনের!

গর্ভে দুলাভাইয়ের সন্তান, আপত্তি নেই বোনের!

তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা তিনি। তবে হঠাৎ করে সবাইকে জানালেন, তিনি নিজের গর্ভে তার

কি ঘটেছিলো মিরপুর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে!

এফএনএস (গোলাম কিবরিয়া মাসুম; কুষ্টিয়া)

08 Mar 2018   07:02:32 PM   Thursday BdST
A- A A+ Print this E-mail this
 কি ঘটেছিলো মিরপুর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে!

এসএসসি পূর্ণরুপ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট। শিক্ষাজীবনে ১০ বছর সাধনা আর কঠোর পরিশ্রমের ফলে অর্জন করা সম্ভব এই সার্টিফিকেট। একে ঘিরেই একজন শিক্ষার্থী স্বপ্ন দেখে। তৈরী করার পরিকল্পনার ছবি আঁকে। পরবর্তী জীবনে তার সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্তে প্রধান ভূমিকা পালন করে। শিক্ষার্থী শুধু একা নয় এই সার্টিফিকেটকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে ঐ শিক্ষার্থীর পরিবারও। তবে যদি কোন ব্যাক্তি বা সরকারী কর্মকর্তার ক্ষোভের কারণে নষ্ট হয়ে যায় একযোগে ১৮ শিক্ষার্থীর স্বপ্ন। সেই সাথে ধ্বংস হয় ৯জন শিক্ষকের দীর্ঘ দিনের শিক্ষকতার সুনামও। একজনের উপরে রাগ বা ক্ষোভের কারণে এমন কান্ড করা কারো বোধগম্য নয়।
গত ১৫ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সারাদেশের ন্যায় কুষ্টিয়ার মিরপুর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়েও অনুষ্ঠিত হচ্ছিলো এসএসসি পরীক্ষা। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের চলছিলো রসায়ন বিজ্ঞান পরীক্ষা।
পরীক্ষা চলাকালিন সময়ে “সেটকোড জালিয়াতির অভিযোগে” ৯ শিক্ষক ও ১৮ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে কি হয়েছিলো সেদিন মিরপুর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে। ঘটনার মুল কারণ অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের চাঞ্চল্যকর তথ্য।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক ঐ কেন্দ্রের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রন কমিটির দায়িত্বে থাকা একজন শিক্ষক জানান, সারাদেশের ন্যায় গত ০১ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এসএসসি পরীক্ষা। পরীক্ষা কেন্দ্রে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্বে আসে মিরপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম। প্রথম দিন থেকেই তিনি এই কেন্দ্রে পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের সাথে অশোভনীয় আচরণ করে। যা একজন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার আচরণ নীতিমালার বাইরে। গত ০৫ ফেব্রুয়ারি সোমবার ইংরেজি প্রথম পত্র অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন সিরাজুল ইসলাম এক শিক্ষককে গালাগালি করে। পরে তাকে ধাক্কা দিতে দিতে রুম থেকে বের করে দেয়। এ ঘটনায় দায়িত্ব থাকা শিক্ষকরা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ এবং পরীক্ষা কমিটিকে জানায়। পরে ০৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার থেকে তাকে ঐ কেন্দ্রে আর দেখা যায় না। অভিযোগের কারনে শিক্ষকদের প্রতি ক্ষোভের সৃষ্টি হয় সিরাজুল ইসলামের। পূণরায় হঠাৎ করেই ১৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার মিরপুর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রেই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্বে আসেন তিনি। সেদিনও তিনি শিক্ষকদের সাথে খারাপ আচরণ অব্যহত রাখে।
শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বহিষ্কার সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, এখানে শিক্ষার্থী ও শিক্ষার্থীদের কোন অপরাধ নেই। এটা একটি চক্রান্তমূলক। একজন শিক্ষার্থী যদি সেটকোটের বৃত্ত ভুল ভরাট করে তাহলে সে ঐ পরীক্ষায় ফেল করবে। তাছাড়া প্রশ্নে যে সেট পড়েছে সেটাই শিক্ষার্থীরা লিখেছিলো। আবার ভুল করেও লিখেছিলো। আর শিক্ষকরা স্বল্প সময়ে সবসময় প্রতিটি সেট কোড মিলিয়ে দেখলেও কে কি পূরন করলো সেটা দেখা সম্ভব হয় না।
ফুলবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মেসবাবুল হক জানান, আমার কোন দোষ ছিলো না। আমাকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। সেদিন আমরা তিনজন শিক্ষক ৫৬ জন শিক্ষার্থীকে নৈব্যক্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র দেয়। আমরা যখন সেগুলো দেয় তখন আমাদের রুমে ইউএনও এসএম জামাল আহমেদ ও শিক্ষা অফিসার সিরাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এক শিক্ষার্থী ভুল করে খ সেটের পরীবর্তে ক সেট পূরণ করে। তারপর আমরা তাকে বলি যে তার সেট কোড পূরণ করা ভুল হয়েছে। এরপর সিরাজুল ইসলাম ১০টা ২০ মিনিটে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর সেট কোড ২-৩ বার করে দেখেন। আমি ৯ নম্বর রুমের দায়িত্বে ছিলাম সেখানে একজন শিক্ষার্থী ক সেট পেয়েছে। সে পূরণও করেছিলো ক সেট। তার পিছনে থাকা অপর এক শিক্ষার্থীও ক সেট পূরণ করে ফেলেছিলো। এতে প্রথম শিক্ষার্থীর কোন অপরাধ বা ভুল ছিলো না। পরে ঐ দুই শিক্ষার্থীকেই বহিষ্কার করা হয়। সেই সাথে রুমে দায়িত্ব থাকা তিনজন শিক্ষক ও বহিস্কার হয়।
তিনি আরো বলেন, ঐ শিক্ষার্থীর কাছে কোন অনৈতিক কার্যকলাপের প্রমান পায়নি। সেই সাথে আমরা কোন শিক্ষক তার খাতায় স¦াক্ষরও করিনি। তাহলে কেন আমাদের বহিষ্কার করা হয়েছে সেটা আমাদের বোধগম্য নয়।
নাম প্রকাশ্যের অনিচ্ছুক ঐ কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা এক শিক্ষক জানান, সিরাজুল ইসলাম শিক্ষকদের সাথে গরুর রাখালের মতো ব্যবহার করেছে। এক  শিক্ষককে ঘাড় ধরে বের করে দেয়। এ ঘটনায় ক্ষোভের কারনে শিক্ষকদের বহিষ্কার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ছাতিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং ঐ দিন মিরপুর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী বাবুল হোসেন জানান, আমি যেই রুমে দায়িত্বে ছিলাম সেখানে তানিয়া নামের এক পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিতেছিলো। সে তার নিজের সেট কোডই পূরণ করে। তবে তার পাশের জন ভুল করে একই সেট কোড পুরণ করে তাই তাদের দুজনকেই বহিষ্কার করা হয়।
তিনি আরো বলেন, সিরাজুল স্যার এক পরীক্ষায় এক ছাত্রের খাতা কেড়ে নেয়। এক শিক্ষককে সেই খাতার দায়িত্ব দেয়। কিন্তু কতক্ষন পরে তা ফেরত দেবে তিনি তা বলেনি। কিছুক্ষন পরে সিরাজুল স্যারকে না পেয়ে তিনি নিজেই খাতাটা ফেরত দিয়ে দেয়। এ ঘটনায় সিরাজুল স্যার ঐ শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয় ও ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়। পরবর্তীতে  সিরাজুল স্যারকেও দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়। সেদিন স্যার  বলেছিলো এই কেন্দ্রের শিক্ষকদের দেখে নেবে। এমন ভাবে যে দেখে নেবে তা আমরা ভাবতে পারিনি। তার জন্য আজ শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ভেঙ্গে গেছে। আমরাও সম্মান হারিয়েছি। এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে হসপিটালে ভর্তি হয়েছিলো। এ দায় কে নেবে? যদি শিক্ষার্থী নকল করতো বা অসাধু উপায় অবলম্বন করতো তাহলে তাকে সাজা দিতো। আর সেটকোড ভুল করে পূরণ করলে তা দেখবে বোর্ড।
এ ব্যাপারে ঐ কেন্দ্রের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রন কমিটির দায়িত্বে থাকা এক শিক্ষক জানান, কোন শিক্ষার্থী যদি ভূলবসত সেটকোড অন্যটি পূরণ করে থাকে তাহলে বেশিরভাগ সময় ফেল আসে আবার পাশও আসতে পারে। যদি প্রশ্ন মিলে যায়। যদি সেটকোড ভুলটি কেটে ঠিকটি পূরণ করে দেওয়া হয় তাতেও কোন সমস্যা হয়না।
তিনি আরো জানান, সেদিনের ঘটনার কারনে ১৮ শিক্ষার্থী ও ৯ শিক্ষককে  বহিষ্কার করা হয়েছে এটা তেমন কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না। শিক্ষার্থীরা অনেক সময়ই ভুল সেট পূরন করে থাকে। আর ২৫ মিনিটের পরীক্ষায় শিক্ষকদের যে সকল খাতাপত্রের কাজ থাকে সেখানে প্রতিটা সেট দেখাও অনেক সময় সম্ভব হয় না। আর যখন এ ঘটনা ঘটে তখন শিক্ষা কর্মকর্তা কয়েকটি খাতা নিয়ে এসে আমাদের দেখিয়ে বলে এগুলো সেট কোড এক। তাই তাদের বহিষ্কার করা হয়। তবে ঐ শিক্ষার্থীদের কাছে কোন প্রকার নকল ছিলো না।
তিনি আরো জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে ইউএনও অফিস এর নাইট গার্ড সেলিম হোসেন তার স্মাট ফোন হাতে নিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে এবং ৫-৬জন শিক্ষার্থীর কাছে থেকে পরীক্ষার খাতা কেড়ে নেই।  
নিজে ঠিক সেট পুরণ করেও বহিষ্কার হওয়া এক শিক্ষার্থী বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। সে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছে।
ঐ শিক্ষার্থীর পিতা আশরাফুল ইসলাম জানান, আমার মেয়ে খুব মেধাবী শিক্ষার্থী। তাকে ঘিরে আমার অনেক স্বপ্ন ছিলো। আমার মেয়েকে ডাক্তারী পড়ানোর জন্য আমি বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি করি।  বৃহস্পতিবার পরীক্ষা চলাকালিন সময়ে পরিস্থিতির শিকার হয়ে তাকে বহিষ্কার করা হয়। এটা আমার মেয়ে সহ্য করতে পারেনি। বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। কেনো আমার মেয়ের জীবনটা এভাবে নষ্ট হবে? কি অপরাধ করেছিলো আমার মেয়ে। সে তো নিজের সেটই পূরণ করেছিলো। তার পাশের একজন সেট ভুল করে একই করে ফেলেছিলো। এখানে অন্যের দোষে দোষী হলো আমার মেয়ে।
নাম প্রকাশের অনিচ্ছিুক এক অভিভাবক জানান, সারা দেশে প্রশ্নপত্র টাকা দিয়ে কিনতে পাওয়া যাচ্ছে। পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে প্রায় প্রতিদিন। আর সামান্য এই সেট কোড মিল পাওয়া শিক্ষক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এটা করা উচিৎ নয়।
আরেকজন অভিভাবক অভিযোগ করেন, ইউএনও, শিক্ষা অফিসার ও নাইটগাট শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে খাতা কেড়ে নিয়ে ২০ মিনিট আটকে রাখে। পরে তার এ কর্মকান্ড থেকে রক্ষা পেতে শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার করেছে।
এ ঘটনা নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রীয়া দেখা দিয়েছে। সকলের আঙ্গুল উঠেছে মিরপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের দিকে।
অভিযুক্ত মিরপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ মিথ্যা। আমি প্রতিদিন ঐ কেন্দ্রে সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করেছি। আমার বিরুদ্ধে কখনো কেউ অভিযোগ করেনি।  আর আমি কোন খাতা কেড়ে নেয়নি।
পরীক্ষার খাতা নেওয়ার অভিযোগ স্বীকার করে নাইটগার্ড সেলিম বলেন, আমি পরীক্ষার কেন্দ্রের মধ্যে থেকে ৩-৪টি খাতা নিয়েছিলাম। ইউএনও স্যার নিয়েছিলা ২টা আর উপজেলা শিক্ষা অফিসার নিয়েছিলাম ১২টা খাতা।
মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম জামাল আহমেদ জানান, মিরপুর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব সোহেল আফরোজ একটি মৌখিক অভিযোগ করেন। তার পরে তিনি কুষ্টিয়ায় ডিজিটাল মেলায় যান। পরীক্ষা কেন্দ্রে যাননি। আর শিক্ষকদের অসর্তকর্তা ও শিক্ষার্থীরা অসাধু অবলম্বন করায় তাদের বহিষ্কার করা হয়। এ ঘটনার পরে এক শিক্ষার্থী বিষপানে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। সে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা  নিয়েছে।
এ ব্যপারে যশোর শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) রাকিবুল ইসলাম জানান, যদি কোন শিক্ষার্থী পরীক্ষা সেট কোড পুরণ না করে কিবা ভুল বৃত্ত ভরাট করে তাহলে তাকে আবেদন করতে হবে। এছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও নিয়ন্ত্রন কমিটি ছাড়া সাধারন মানুষের প্রবেশ নিষেধ। সেই সাথে প্রশ্ন পত্র ফাঁস রোধে কেন্দ্রে কেন্দ্রে স্মাটফোন ব্যবহার করতে পারবেন না কেন্দ্র সচিব। আর পরীক্ষা কক্ষে কোন নাইটগার্ড তো যেতেই পারবে না।
তিনি আরো বলেন, পরীক্ষায় জালিয়াতি ও অসাদুউপায় অবলম্বন করলে তার বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মোঃ জহির রায়হান জানান, আপনি মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন। তাছাড়া কোন নাইটগার্ড পরীক্ষার হলে ঢুকার কোন অনুমতি নেই। যদি ঢুকে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে এ ঘটনার সুষ্টু তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকসহ সচেতন নাগরিকরা।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
 
A- A A+ Print this E-mail this
আপনার পছন্দের এলাকার সংবাদ
পড়তে চাই:
Fairnews24.com, starting the journey from 2010, one of the most read bangla daily online newspaper worldwide. Fairnews24.com has the highest journalist among all the Bangladeshi newspapers. Fairnews24.com also has news service and providing hourly news to the highest number of online and print edition news media. Daily more then 1, 00,000 readers read Fairnews24.com online news. Fairnews24.com is considered to be the most influencing news service brand of Bangladesh. The online portal of Fairnews24.com (www.fairnews24.com) brings latest bangla news online on the go.
৪৮/১, উত্তর কমলাপুর, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন : +৮৮ ০২ ৯৩৩৫৭৬৪
E-mail: info@fns24.com
fnsbangla@gmail.com
Maintained by : fns24.net