তাজা খবর:

গজারিয়ায় সিএনজি পাম্পে আগুন, আহত-৪                    তাস খেলতে বসতে না দেয়ায় শিক্ষার্থীদের মারধর করেছে ছাত্রলীগ                    জালনোট কারখানার সন্ধান বিপুল পরিমাণ জাল টাকা-রুপিসহ ব্যবসায়ী আটক                    ডিমলায় প্রতিমা ভাংচুড়ের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ সুপার                    কলারোয়ায় আগুনে পুড়ে ৪টি দোকান ভস্মীভূত                    রাসিক নির্বাচনের ৩৭দিন পর ফল বাতিল চেয়ে বুলবুলের মামলা                    চৌগাছায় প্রসূতির পেটে গজ-ব্যান্ডেজ রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ                    চার পিস ইয়াবা হয়ে গেল ১৪ পিস!                    রাউজানে গণপিটুনিতে ২ চোর মারা গেছে                    নানা সমস্যায় জর্জরিত বগুড়ার সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশন                    
  • মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫

একই পরিবারের পাঁচজন বিরল প্রকৃতির রোগে আক্রান্ত

একই পরিবারের পাঁচজন বিরল প্রকৃতির রোগে আক্রান্ত

সোনারগাঁয়ে একই পরিবারের পাঁচজন বিরল প্রকৃতির রোগে আক্রান্ত হয়ে পরেছে। অর্থাভাবে সুচিকিৎসা নিতে

সুজানগরে বহুমুখী খামার করে স্বাবলম্বী যুবক মামুন

সুজানগরে বহুমুখী খামার করে স্বাবলম্বী যুবক মামুন

সুজানগরে বহুমুখী খামার করে মামুন হোসেন নামে এক যুবক স্বাবলম্বী হয়েছেন। তিনি উপজেলার

বরিশালে ভাসমান পাটের হাট ॥ অপার সম্ভাবনা

বরিশালে ভাসমান পাটের হাট ॥ অপার সম্ভাবনা

ভৌগলিক অবস্থানগত কারণে প্রায় ৫০ বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে জেলার তিনটি উপজেলার সীমান্তবর্তী

অর্থাভাবে বিনাচিকিৎসায় জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে স্কুল ছাত্রী ইতি

অর্থাভাবে বিনাচিকিৎসায় জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে স্কুল ছাত্রী ইতি

অর্থাভাবে বিনাচিকিৎসায় জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে বেঁচে থাকার জন্য ছটফট করতে থাকা মেধাবী স্কুল

মিয়ানমারের ফের দাঙ্গা ছড়ানোর শঙ্কা

এফএনএস ডেস্ক

26 Aug 2017   10:27:28 AM   Saturday BdST
A- A A+ Print this E-mail this
 মিয়ানমারের ফের দাঙ্গা ছড়ানোর শঙ্কা

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে পুলিশ পোস্টে ‘রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের’ সমন্বিত হামলায় ৭১ জন নিহতের পর সেখানে ফের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সেনাবাহিনীর নতুন দমন অভিযানের সম্ভাবনায় ঘরবাড়ি ছেড়ে বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে মানুষের ঢল নেমেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর।
এর আগে গত বছরের অক্টোবরে প্রায় একই ধরনের হামলায় নয় পুলিশ সদস্য নিহত হওয়ার পর বড় ধরনের দমন অভিযান চালায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। সেসময় বেসামরিক রোহিঙ্গাদের নির্বিচারে হত্যা, গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া এবং ধর্ষণের মতো অপরাধ জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।
বাংলাদেশ সীমান্তের কাছের এ রাজ্যের মুসলিম রোহিঙ্গারা দীর্ঘদিন ধরে জাতিগত নিপীড়নের শিকার। তাদের অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের তরফ থেকে আহ্বান জানানো হলেও তাতে মিয়ারমার সরকারের সাড়া মেলেনি।
দিন দশেক আগে সরকার রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সেনা মোতায়েন করলে রোহিঙ্গাদের মধ্যে উৎকণ্ঠা তৈরি হয়। এরই মধ্যে মংডু জেলার মংডু ও বুথিদাউং উপজেলায় বৃহস্পতিবার রাতে ৩০টি পুলিশ পোস্ট ও একটি সেনা ক্যাম্পে হামলা করে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা।
এতে নিরাপত্তা বাহিনীর ১২ সদস্য ও ৫৯ জন রোহিঙ্গা বিদ্রোহীসহ অন্তত ৭১ জন নিহত হন বলে মিয়ানমার সরকারের তথ্য।
তাদের এক বিবৃতিতে বলা হয়, মংডু ও বুথিদাউং এলাকার বিভিন্ন গ্রামে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে সমন্বিত এই হামলার সূচনা হয়।
মিজিমার খবরে বলা হয়, রোহিঙ্গা গেরিলাদের সঙ্গে স্থানীয় গ্রামবাসী ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পুলিশ পোস্ট ঘিরে ফেলে এই হামলা চালায়।
ভোর ৩টার দিকে প্রায় দেড়শ হামলাকারী খামারা এলাকায় একটি সেনা ক্যাম্পে ঢোকার চেষ্টা করলেও প্রতিরোধের মুখে পিছিয়ে যায় বলে জানানো হয় সরকারের বিবৃতিতে।
মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে উদ্ধৃতি দিয়ে রয়টার্স জানায়, এবার হামলাকারীর সংখ্যা গত অক্টোবরের হামলাকারীদের থেকে অন্তত পাঁচগুণ বেশি। অন্তত ৫০টি গ্রামের হাজার খানেক বিদ্রোহী এ হামলায় অংশ নেয়।
এদিকে রাতের হামলার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নতুন করে তৎপর হওয়ার পাশাপাশি কোনো কোনো স্থানে সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ রাখাইনরা রোহিঙ্গা জনবসতিতে হামলা শুরু করেছে বলে খবর এসেছে। পাল্টা হামলায় আশঙ্কায় আতঙ্কে ভুগছেন রাখাইন গ্রামের বাসিন্দারাও।
শুক্রবার বিকালে মৌং মৌং চায় নামে হ্যামলেট গ্রামের এক রাখাইন রয়টার্সকে বলেন, “আমরা শুনেছি মুসলমান গ্রামবাসীরা একত্র হচ্ছে। তারা সূর্য ডোবার পর আমাদের ওপর আবার হামলা করবে।”
এদিকে অস্ত্রধারী একদল রাখাইনকে জেয় দি পাইন গ্রামের রোহিঙ্গা জনবসতিতে অন্তত ৭০০ রোহিঙ্গাকে ঘিরে রাখতে দেখার কথা বলেছেন রোহিঙ্গা মনিটরিং গ্রুপে কর্মরত ক্রিস লেওয়া।
জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ‘দি আরাকান প্রজেক্ট’র এই কর্মী সেখান থেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে এসেছেন। সেই ৭০০ রোহিঙ্গার ভাগ্যে কী ঘটেছে তা তিনি জানতে পারেননি।
রোহিঙ্গাদের আবাসভূমি আরাকান এক সময় স্বাধীন রাজ্য থাকলেও অষ্টাদশ শতকের শেষভাবে বার্মার রাজা ওই এলাকা দখল করে নেন। আরাকানে জাতিগত বিভেদ তখন থেকেই।
গত শতকের চল্লিশের দশকের পর আরাকানে বৌদ্ধ মগ ও রোহিঙ্গা মুসলমানদের মধ্যে বহুবার জাতিগত দাঙ্গা লেগেছে। সামরিক শাসনামলে মিয়ানমারে ওই রাজ্যে চলেছে দফায় দফায় দমন অভিযান। রোহিঙ্গাদের বিভিন্নসংগঠন বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের পথেও হেঁটেছে।
মিয়ানমারে রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে গত শতকের ৮০ এর দশক থেকে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে। তাদের ফিরিয়ে নিতে বার বার আহ্বান জানানো হলেও মিয়ানমারের সাড়া পাওয়া যায়নি।
রয়টার্স বলছে, রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সংগঠন ‘আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (এআরএসএ)’ রাতের হামলার দায় স্বীকার করেছে। এক সময়ে ‘হারাকা আল-ইয়াকিন’ নামে পরিচিত এই গ্রুপটিই গত বছরের অক্টোবরে পুলিশ ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছিল।
এআরএসএ এর নামে করা একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে এক পোস্টে হামলার দায় স্বীকার করে বলা হয়, “বার্মিজ নির্যাতনকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে ২৫টির বেশি জায়গায় আমরা প্রতিরোধ কার্যক্রম চালিয়েছি। শিগগির আরও আসছে।”
চলতি মাসে নিরাপত্তা বাহিনী রাখাইনের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায়গুলোয় নতুন করে দমন অভিযান শুরুর পর থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। বৃহ্স্পতিবার রাতে শুরুর পর কিছু কিছু এলাকায় সেনা ও বিদ্রোহীদের মধ্যে বিকাল পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছে বলে জানায় রয়টার্স।
রাখাইনের বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গা মুসলমানদের বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অভিবাসী হিসেবে দেখে থাকে। মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির দলেরও অনেকে এই অবস্থানে আছেন। এই কারণে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকার দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে মিয়ানমার।
গত অক্টোবরে সেনাবাহিনীর দমন অভিযানের মুখে ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা মুসলমান রাখাইন থেকে পালিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এই শরণার্থী সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বারবার আহ্বান জানানো হলেও রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না মিয়ানমার সরকার।
আগের মতো এবারও এক বিবৃতিতে হামলাকারীদের ‘বাঙালি’ আখ্যায়িত করেছে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর সু চির কার্যালয়ের প্রেস কর্মকর্তারা।
বৃহস্পতিবারের হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান রাখাইনের পরিস্থিতি নিয়ে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন মিয়ানমারের নেত্রী সু চির কাছে হস্তান্তর করেন।
পরে ইয়াংগুনে এক সংবাদ সম্মেলনে নাগরিকত্ব না পাওয়ায় এবং নিদারুণ বৈষম্যের কারণ মুসলমান রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, তাদের ওপর বলপ্রয়োগের পথ ছেড়ে মিয়ানমার সরকারকে যৌক্তিক সমাধানের পথে আসতে হবে।
ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শুক্রবার একটি কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন সু চি, যাদের কাজ হবে কফি আনানের সুপারিশের ভিত্তিতে রোহিঙ্গাদের সমস্যার সমাধানের পথ তৈরি করা।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
 
A- A A+ Print this E-mail this
আপনার পছন্দের এলাকার সংবাদ
পড়তে চাই:
Fairnews24.com, starting the journey from 2010, one of the most read bangla daily online newspaper worldwide. Fairnews24.com has the highest journalist among all the Bangladeshi newspapers. Fairnews24.com also has news service and providing hourly news to the highest number of online and print edition news media. Daily more then 1, 00,000 readers read Fairnews24.com online news. Fairnews24.com is considered to be the most influencing news service brand of Bangladesh. The online portal of Fairnews24.com (www.fairnews24.com) brings latest bangla news online on the go.
৪৮/১, উত্তর কমলাপুর, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন : +৮৮ ০২ ৯৩৩৫৭৬৪
E-mail: info@fns24.com
fnsbangla@gmail.com
Maintained by : fns24.net