তাজা খবর:

গোদাগাড়ীতে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে, নিহত ৩                    বঙ্গবন্ধু হত্যার পরে রাজনৈতিক খল নায়ক ছিলেন জিয়াউর রহমান: ইনু                    নারী উদ্যোক্তাদের ওয়ান ডিজিটে ব্যাংক লোন দিচ্ছে সরকার: শিল্পমন্ত্                    ঘোড়াঘাটে সরকারী ভাবে শহীদদের স্মরনে আজও বিজয় ফলক নির্মিত হয়নি                    ঢাকা-জামালপুর ট্রেন চলাচল বন্ধ                    পুঠিয়ায় ট্রাক ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪                    পাবনার শালগাড়িয়ায় টুইষ্টিং মিলে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড                    কাহালুতে বিষ্ণমূর্তির বেদী উদ্ধার                    ফুলবাড়ীয়ায় শিশুপুত্রকে গলাকেটে হত্যা, বাবার আত্মহত্যার চেষ্টা                    নীলফামারীতে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার                    
  • বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭, ২৯ অগ্রাহায়ণ ১৪২৪

গাংনীতে অস্ত্র ও গুলি সহ চাঁদাবাজ গ্রেফতার

গাংনীতে অস্ত্র ও গুলি সহ চাঁদাবাজ গ্রেফতার

 মেহেরপুরের গাংনীতে অস্ত্র ও গুলি সহ জুয়েল হোসেন (৩৫) নামের এক চাঁদাবাজ কে

মুক্তাগাছায় বন্ধুদের ছুরিকাঘাতে স্কুল ছাত্র নিহত

মুক্তাগাছায় বন্ধুদের ছুরিকাঘাতে স্কুল ছাত্র নিহত

 মুক্তাগাছায় বন্ধুদের ছুরিকাঘাতে এক স্কুল ছাত্র নিহত হয়েছে। গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে

১১ মিলিয়ন ডলার উপার্জন করল ছয় বছরের শিশু!

১১ মিলিয়ন ডলার উপার্জন করল ছয় বছরের শিশু!

অনলাইনে অর্থ উপার্জনের বিষয়টি নিয়ে অনেকেই চেষ্টা করেন। কিন্তু এ কাজটিতে সবাই যেমন সফল হতে

মাংশের টুকরোত আল্লাহর নাম

মাংশের টুকরোত আল্লাহর নাম

কোন কাল্পনিক গল্প নয়, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য পাবনার আটঘরিয়ায় কোরবানির মাংশের একটি টুকরোও

ষড়যন্ত্র থেকে ষড়যন্ত্র

মাহমুদুল বাসার

22 Aug 2017   08:31:04 PM   Tuesday BdST
A- A A+ Print this E-mail this
 ষড়যন্ত্র থেকে ষড়যন্ত্র

বঙ্গবন্ধুর প্রশাসনকে বিকল করার জন্য সর্বোচ্চ ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিলো ১৯৭২ সাল থেকেই। ষড়যন্ত্রের ওই নমুনাগুলো খুব ভালো করে বর্তমান শেখ হাসিনার সরকারের বিশ্লেষণ করা দরকার, বর্তমানে যে নানা মাত্রায় ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে তা প্রতিহত করার জন্য বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তরের ষড়যন্ত্রগুলো সামনে মেলে ধরা খুব প্রয়োজন। সর্বহারা পার্টির সিরাজ শিকদার, গণবাহিনীর সিরাজুল আলম খান, গলাকাটা পন্থী হক-তোয়াহা, মওলানা ভাসানীর উগ্র কার্যকলাপ, অপর দিকে জামায়াতের  আন্ডার গ্রাউন্ডের অপপ্রচার বঙ্গবন্ধুর ঘুম কেড়ে নিয়েছিলো। দেশে শ্লোগান উঠেছিলো, ‘বঙ্গবন্ধু কঠোর হও।’ বঙ্গবন্ধু বাধ্য হয়ে বলেছিলেন, ‘লালঘোড়া দাবড়ায়ে দেবো।’ বঙ্গবন্ধু বাধ্য হয়েছিলেন বাকশাল গঠন করতে।
    জামায়াত-রাজাকার-মুসলিমলীগ, পাকিস্তান পন্থীরা বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমাকে দুর্বলতা হিসেবে গ্রগণ করে বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে নির্জলা মিথ্যা প্রচার করে মানুষের মন বিষিয়ে দিচ্ছিলো। এ কাজে তারা মসজিদ-মাদ্রাসা ব্যবহার করছিলো। থানা লুট, পাটের গুদামে আগুন লাগানো, প্রতিদিন মানুষ হত্যার অপকর্ম করে যাচ্ছিলো সিরাজ শিকদারের পার্টি, হক-তোয়াহাদের মতো উগ্র চীনপন্থীরা। মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে শুরু হয়েছিলো ‘মুসলিম বাংলা’ কায়েমের রাজনীতি। সর্বহারারা করছিলো ‘পূর্ববাংলা’ প্রতিষ্ঠার রাজনীতি। মসজিদ-মাদ্রাসাগুলোতে জামায়াতের প্রচারণা ছিলো মারাত্মক। তারা ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষকে বোঝাতো ,‘পাকিস্তানই অনেক ভালো ছিলো।’
   জাসদের ভূমিকা ছিলো বেপরোয়া। বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রেক্ষাপট জাসদ তৈরি করে দিয়েছিলো। ১৯৭২ সাল থেকেই চক্রান্ত শুরু হয়েছিলো সেনাবাহিনীর মধ্যে। আমার কথার প্রমাণ পাওয়া যাবে কর্নেল হামিদের ‘তিনটি সেনা অভ্যুত্থান ও কিছু না বলা কথা’ বইতে। তবে জিয়াউর রহমানের ক্ষুরধার চক্রান্তের নিখুঁত দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন অধ্যাপক, ড. আবু সাইদ তার ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকা- ঃ ফ্যাক্টস্ এ্যান্ড ডকুমেন্টস’ বইতে। সেনাবাহিনীতে বিরামহীন অপপ্রচার চালাচ্ছিলেন জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে। ১৯৭১ সালেও জিয়াউর রহমান খন্দকার মোস্তাকের সঙ্গে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের মহাহত্যাকা-ে মোস্তাক-জিয়া একাট্টা ছিলেন।
  মধ্যপ্রাচ্যে গোলাম আজমরা পূর্বপাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করছিলেন। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কিসিঞ্জার এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ভূট্টো একাট্টা হয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রশাসন বিকল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন।
     জাসদের ‘গণকণ্ঠ’ আর মওলানা ভাসানীর ‘হককথা’ বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে লাগামহীন অপপ্রচার চালাচ্ছিলো। অসামান্য মনোবলের অধিকারী ছিলেন বঙ্গবন্ধু না হলে ১৫ আগস্টের আগেই মুখ থুবড়ে পড়ে যেতেন।
   ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৫ সালের ষড়যন্ত্রের একটা পুনরাবৃত্তি বর্তমানেও চলছে। জাসদতো এখন শতভাগে বিভক্ত। জাসদের একটি অংশ আছে শেখ হাসিনার সঙ্গে। আসম আবদুর রব আাছেন শেখ হাসিনার বিপক্ষে অত্যন্ত সরবে। শেখ হাসিনার মন্ত্রী হয়েছিলেন ১৯৯৬ সালে।
  ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত পলিটিক্যাল উইংএ ছিলেন খন্দকার মোস্তাক, এখন আছেন ড. কামাল হোসেন। লাগাতার ভাবেই আছেন শেখ হাসিনার বিপক্ষে। ড. কামাল হোসেন কখনো হাড়েমাংসে আওয়ামীলীগার ছিলেন না। আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠায় ও তার বিকাশে ড. কামাল হোসেনের কোনো অবদান ছিলো না। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তার কোনো অবদান নেই। বঙ্গবন্ধু তাকে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন একজন আইনজ্ঞ ও শিক্ষিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে। বঙ্গবন্ধু শোষিতের গণতন্ত্র কায়েম করার জন্য বাকশাল গঠন করেছিলেন। তিনি তাঁর সঙ্গে একাত্ম হতে পারেন নি। চালাকি করে ১৯৭৫ সালে ড. কামাল হোসেন বিদেশে চলে গিয়েছিলেন। তিনি কখনো বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার মনেপ্রাণে চান নি।
   পঁচাত্তর পরবর্তীকালে তিনি যতটুকু সময় আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছেন ততটুকুই করেছেন বিভেদের রাজনীতি। আমাদের চোখের সামনে একটা সময় ‘রাজ্জাক বনাম তোফায়েল’ গ্রুপের দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছিলো  আওয়ামীলীগে। ড. কামাল তোফায়েল গ্রুপের মন্ত্রণাদাতা ছিলেন। আওয়ামীলীগের দায়িত্ব নিয়ে শেখ হাসিনা বাকশাল কায়েম করতে চান নি। সুস্পষ্ট কণ্ঠে সংসদীয় গণতন্ত্রের কথা বলেছেন। তারপরও কেন ড. কামাল হোসেন শেখ হাসিনার নেতৃত্ব মেনে নিতে পারলেন না? যিনি বঙ্গবন্ধুকে মানেন নি, তিনি শেখ হাসিনাকে মানবেন কেমন করে? ড. কামাল হোসেন এখন নামেমাত্র গণফোরাম করছেন, তিনি মূলত ছদ¥বেশে বিএনপির রাজনীতি করছেন। শেখ হাসিনার পায়ে কুড়াল মারা তার অন্যতম ব্রত। তার রাজনৈতিক আচরণ থেকে খালেদা জিয়াই লাভবান হচ্ছে। ড. কামাল হোসেনের আসল চেহারা বের হয়ে এসেছে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়কে কেন্দ্র করে। আবদুল গাফফার চৌধুরী বলেছেন, ‘দেশে সুশাসন নেই, আইনের শাসন নেই, মানবিক অধিকার ও বাকস্বাধীনতা নেই প্রধান বিচারপতির ‘পর্যবেক্ষণে’ উচ্চারিত এ কথাগুলোর মূল প্রচারক ড. কামাল হোসেন, ড. ইউনূস প্রমুখের নেতৃত্বাধীন একটি তথাকথিত সুশীল সমাজ এবং তাদের দু’টি বাংলা ও ইংরেজি মুখপাত্র। জিয়াউর রহমানের স্বৈরাচারী শাসনামলে বিদেশে স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকার সময়ও জোরেসোরে এ সব কথা বলার  সাহস দেখান নি ড. কামাল হোসেন।’ (জনকণ্ঠ-২২/৮/১৭)।
  এর আগে স্বদেশ রায় তার কলামে বলেছেন, ১৯৭১ সালে ড. কামাল হোসেনের ভূমিকা এতটা বিতর্কিত ছিলো যে, এম আর আখতার মুুকুল চরমপত্রে তা নিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর শেখ হাসিনা বলেছিলেন,‘নির্বাচনে সূক্ষ্ম কারচুপি হয়েছে।’ কথাটি যথার্থ ছিলো। তবুও ড. কামালল হোসেন দলীয় সভানেত্রীর মর্যাদা লংঘন করে পত্রিকায় দীর্ঘ ফিরিস্তি দিয়ে শেখ হাসিনাকে কনডেম করেছিলেন।
   এ কথা অবিসংবাদত সত্য যে, শেখ হাসিনা ছাড়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে প্রধান বিচার করার সাহস কারো ছিলো না। এটা শেখ হাসিনার সংবেদনশীল মনের দুর্বলতা যে, একবার বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমদকে র্ষ্ট্রাপতি করে ঠকলেন, আরেকবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজনকে প্রধান বিচারপতির আসনে বসিয়ে ঠকলেন। তিনি আত্মস্বীকৃত শান্তি কমিটির সদস্য এবং তিনি সাকা চৌধুরীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাদের সান্ত¡না দিযেছিলেন।
   বিচারপতি শাহাবুদ্দিনের সমস্ত কার্যক্রম ছিলো বিএনপি মুখী। তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে সংসদে ভাষণ দেয়ার সময় বলতেন, ‘আওয়ামীলীগ যে ভাবে লিখে দিয়েছে সে ভাবেই আমি ভাষণটি পড়ছি।’ কিন্তু ২০০১ সালের নির্বাচনের পর তিনি সংসদে ভাষণ দেয়ার সময় তেমন কথা বলেন নি যে, ‘আমি বিএনপি যে ভাবে লিখে দিয়েছে সেভাবে ভাষণটি পড়ছি।’ অর্থাৎ ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনিও একজন ডিজাইনার ছিলেন।
    শেখ হাসিনাকে পরাজিত করার ডিজাইন এখনো হচ্ছে, জোরেসোরেই হচ্ছে। সবকালে সবদেশে রাজনীতিতে ঈর্ষা জড়িত থাকে। রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, ‘বাঙালির প্রধান বৈশিষ্ট হচ্ছে সমকক্ষকে ঈর্ষা করা।’ যারা নিজেদের শেখ হাসিনার সমকক্ষ মনে করেন তারাই শেখ হাসিনার ওপর ঈর্ষান্বিত। ‘সুজন’ কেন্দ্রিক সুশীল এলিটরা খুব ঈর্ষান্বিত শেখ হাসিনার ওপর। তারা বসে নেই। এই দেশের নাগরিক হিসেবে আমার দুশ্চিন্তা যে, বর্তমান প্রধান বিচারপতি তার অনিচ্ছা সত্ত্বেও শেখ হাসিনার চলার পথকে কন্টকিত করার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছেন। বিচারপতি শাহাবুদ্দিন নাকি প্রথমে রাষ্ট্রপতি হতে চান নি। পরে ড. কামাল হোসেনরা পরামর্শ দিয়েছেন, ‘এই সুুযোগ হাত ছাড়া করা ঠিক হবে না।’ তারপর খালেদা জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী হলেন তখন বিচারপতি শাহাবুদ্দিনের মুখে দেখেছিলাম নির্মল হাসি।
  এই দেশের নাগরিক হিসেবে আমরা লক্ষ্য করে আসছি, প্রধান বিচারপতি তার আসনে বসার পর থেকে সরকারকে কনডেম করে, কন্ট্রাডিক করে নানা ধরনের বক্তব্য দিয়ে সরকারের প্রতিপক্ষকে উৎসাহিত করেছেন। গ্রীক মূর্তি বসানোর দায় কিন্তু সরকারের ঘাড়ে এসেই পড়তো।
  সাবেক বিচারপতি খায়রুল হক বলেছেন খুব তাৎপর্যপূর্ণ কথা, ‘সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় যদি বিরাগপ্রসূত হয়ে থাকে তাহলে শপথ ভঙ্গ হবে। কোন বিচারক রাগ-অনুরাগের বশবর্তী হয়ে কিছু করতে পারেন না। এটা যদি হয়ে থাকে তাহলে কি বিচার হবে বাংলাদেশের জনগণই বিচার করবে।’ (জনকণ্ঠ-২০/৮/১৭)।
 এই যুক্তি অনস্বীকার্য। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেষ পর্যন্ত বর্তমান প্রধান বিচারপতি সম্পর্কে কঠোরতম বক্তব্য দিতে বাধ্য হয়েছেন, ‘সব কিছু সহ্য করা যায় কিন্তু পাকিস্তানের সঙ্গে তুলনা সহ্য করা যায় না। ...পাকিস্তানের কথা বলে হুমকি দেয়ার বিচারের ভার আমি জনগণের ওপরই ছেড়ে দিলাম।’
  তিনি আরো বলেন, ‘দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করাতো আদালতের দায়িত্ব না। সংসদ সদস্যদের সম্পর্কে অপমান জনক কথা বলাও তো আদালতের কাজ না। প্রধান বিচারপতি সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন নিয়েও কথা বলেছেন। সংসদ সদস্যদের সঙ্গে এ সব সংরক্ষিত নারী এমপিওতো ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন। আর নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন। তাই সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা বলার আগে প্রধান বিচারপতির তো উচিত ছিলো পদ থেকে সরে যাওয়া। বলতে পারতেন, যেহেতু সংরক্ষিত নারী এমপি ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়েছেন, তাই আমি এই পদে থাকবো না।’ (জনকণ্ঠ-২২/৮/১৭)। প্রধানমন্ত্রীর এই অকাট্য যুক্তির ভেতর দিয়ে ভেসে উঠেছে প্রধান বিচারপতির মুখম-ল।


মাহমুদুল বাসার
কলামলেখক,প্রাবন্ধিক, গবেষক

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
 
A- A A+ Print this E-mail this
আপনার পছন্দের এলাকার সংবাদ
পড়তে চাই:
Fairnews24.com, starting the journey from 2010, one of the most read bangla daily online newspaper worldwide. Fairnews24.com has the highest journalist among all the Bangladeshi newspapers. Fairnews24.com also has news service and providing hourly news to the highest number of online and print edition news media. Daily more then 1, 00,000 readers read Fairnews24.com online news. Fairnews24.com is considered to be the most influencing news service brand of Bangladesh. The online portal of Fairnews24.com (www.fairnews24.com) brings latest bangla news online on the go.
৪৮/১, উত্তর কমলাপুর, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
ফোন : +৮৮ ০২ ৯৩৩৫৭৬৪
E-mail: info@fns24.com
fnsbangla@gmail.com
Maintained by : fns24.net