কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলাটি হাওর অধ্যুষিত উপজেলা। এ উপজেলাটির মধ্যে ৪টি ইউনিয়নেই নদী বেষ্টিত এলাকা নিয়ে গঠিত। দুটি ইউনিয়ন শুধু হাওরের বাহিরে অবস্থিত। সেই উপজেলার কয়েকশত হাঁসের খামার রয়েছে। এর মধ্যে সিংপুর ইউনিয়নের কাঁচারীপাড়া গ্রামের জুবায়ের মিয়া (২০) নামের এ যুবকটি গত ২ বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করে হাঁস পালন করে আসছেন। এ বছর ১ হাজার ২ শত বিভিন্ন জাতের হাঁস পালন করে আসছেন। গত কয়েকদিন আগে ৩ শত হাঁস ডিম পাড়া শুরু করেছে। বুধবার এক সাক্ষাতে জুবায়ের মিয়া হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ার তার গল্পটি বলেন, গত ২ বছর আগে মাত্র ৫ শত হাঁস পালন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। ৫ শত হাঁস পালন করে এবং এ হাঁসের ডিম বিক্রি করে তার গত বছর প্রায় ৩০-৪০ হাজার টাকা লাভ হয়েছে। এখন এবছর সে ১ হাজার ২ শত হাঁস পালন করে আসছে। বিভিন্ন জায়গায় হাঁসের খাদ্য হিসাবে বিভিন্ন জাতের শামুক, ঝিুনক ও ফিড খাওয়াচ্ছেন হাঁস গুলোকে। তিনি বলেন, এ বছর ডিমের বাজার কিছুটা মন্দা তারপরেও সবগুলো হাঁস যদি ডিম পাড়ে এবং সেই ডিমগুলো বিক্রি করে তার লাভ হবে প্রায় লক্ষাধিক টাকা। কোনো এনজিও এবং সরকারি ভাবে সহযোগিতা পান তাহলে তার দিন আর পিছিয়ে থাকবে না বলে উল্লেখ করেন।