দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নতুন সংকট মোকাবিলায় এবার সরকার আমদানি বাড়ানোর চিন্তা করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
আজ (১২ জানুয়ারি) বিকেলে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবস্থাপনার অব্যবস্থা, বাড়তি দাম ও সংকট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, বেসরকারি খাত একচেটিয়াভাবে এলপিজির বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে এজন্য
এলপিজি আমদানি বাড়ানোর চিন্তা করছে সরকার। জিটুজি (সরকার-টু-সরকার) পদ্ধতিতে এলপিজি আমদানি করে বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে এলপিজি ব্যবসার প্রায় ৯২ শতাংশ বেসরকারি খাতে এবং মাত্র ২ শতাংশ সরকারি খাতে রয়েছে। যে অংশটি সরকারের হাতে নেই, সেটি পুরোপুরি বেসরকারি খাতের নিয়ন্ত্রণে। ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় নিয়ে সরকার এলপিজি খাতে আরও বড় ভূমিকা রাখার কথা ভাবছে, যাতে বাজারে ভারসাম্য বজায় রাখা যায়।
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, বর্তমানে কিছু অতিরিক্ত এলপিজি আমদানি করা প্রয়োজন। এক-দুদিন আগেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং অতিরিক্ত এলপিজি দেশে পৌঁছাতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগবে।