মাধবপুরের ঐতিহ্যবাহী সৈয়দ সঈদ উদ্দীন ডিগ্রি কলেজের নব নির্বাচিত গভনিং বডির সভাপতি ও সায়হাম নীট কম্পোজিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাফকাত আহমেদ-বলেছেন আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে মানসম্মত শিক্ষার কোনো বিকল্প নাই। তাই বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সময়োপযোগী ও সুপরিকল্পিত কর্ম পরিকল্পনার মাধ্যমে কলেজটির শিক্ষার মানোন্নয়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। কলেজে নিয়মিত শিক্ষামূলক, সাংস্কৃতিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের আয়োজন করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননশীলতার বিকাশ ঘটে। সবাইকে সঙ্গে নিয়েই কলেজের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চাই। শিক্ষার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। যে কোন প্রতিষ্টান বা এলাকায় যদি অভিভাবক না থাকে তাহলে ওই প্রতিষ্টান বা এলাকার উন্নয়ন হয় না। বিগত দিনে আমাদের যোগ্য অভিভাবক না থাকায় আমরা অনেক পিছিয়ে গেছি। তাই সামনে আমাদের এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই কলেজেই প্রতিষ্টাতা হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর)আসনে বিএনপির মনোনীত প্র্থাী এস.এম.ফয়সল সাহেব আমার বাবা। উনাকে যদি আমরা সকলে মিলে নির্বাচিত করতে পারি তাহলে কলেজ তথা এলাকার উন্নয়ন হবে। তাই উনার জন্য সকলের সহযোগিতা চাই। মঙ্গলবার দুপুরে সৈয়দ সঈদউদ্দিন ডিগ্রী কলেজের উদ্যোগে দিনব্যাপী পিঠা উৎসব ও তাকে দেয়া সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথাগুলো বলেন। কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ জাহিরউদ্দিনের সভাপতিত্বে পিঠা উৎসবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সিরাজুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক তালুকদার, অধ্যাপক মঈনউদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি গোলাপ খান, সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনি, সাবেক মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ, কলেজ গভনিং কমিটির সদস্য ফিরোজ মিয়া, মোঃ ফয়েজ আহম্মদসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পিঠা উৎসবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ২১টি শিক্ষা প্রতিষ্টান অংশ গ্রহন করেন। এর পাশাপাশি চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্টান। প্রধান অতিথি ও অতিথিবৃন্দ প্রতিটি স্টল ঘুরে ঘুরে দেখেন।