গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ২৫৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তদারকিতে মাত্র ২ জন উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার কর্মরত থাকায় বিদ্যালয় সমূহের পাঠদান ও মনিটরিং চলছে ঢিলামালা ভাবে। এতে উপজেলায় বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা ভেস্তে যেতে বসেছে। জানা গেছে, উপজেলায় ১৫ ইউনিয়ন ও ১ পৌর এলাকায় সরকারি ও নব-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলে রয়েছে ২৫৯টি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলো তদারকির জন্য ক্লাস্টার ভিত্তিক উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসারের পদ রয়েছে ১১টি। কয়েক মাস আগে বদলী জনীত কারণে ৯জন অন্যত্র বদলী হওয়ায় ২জন সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়েই চলছে তদারকি। যে ২জন কর্মরত রয়েছেন তারা অফিসিয়াল রুটিং কাজে ব্যস্থ থাকায় দীর্ঘ কয়েক মাস থেকে বিদ্যালয় সমূহের পাঠদান একেবারেই নেই বললেই চলে। এতে করে শিক্ষকরা বিদ্যালয় গুলোতে মনগড়া ভাবে গমনাগমন সহ পাঠদান করছেন। ফলে উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষার গুনগতমান একেবারেই শুন্যের কোটায় নেমে আসছে। এছাড়া উপজেলা ৬ ইউনিয়নের চরাঞ্চলে অবস্থিত প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলো চলছে কাকতালিও ভাবে। নজরদারি কর্তৃপক্ষ না থাকায় উপজেলায় সপ্রাবি সমূহে লেখাপড়ার মান ও শিক্ষকগণের উপস্থিতি নগন্য। ফলে শিক্ষার্থী অভিভাবকরা ছেলে-মেয়ের লেখা-পড়া নিয়ে দুচিন্তায় পড়েছেন। অনেকেই তাদের ছেলে-মেয়েদের ব্যয় বহুল কে.জি স্কুল গুলোতে ভর্তি করাতে বাধ্য হচ্ছে যা তাদের মাথার বোঝা হয়ে দাড়িয়েছে। এদিকে বাড়ছে ঝড়েপড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা। ছন্দপতন ঘটছে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা। এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুকুল চন্দ্র বর্মন জানান ৯টি শুন্য পদ থাকায় পাঠদান, মনিটরিংসহ প্রাথমিক শিক্ষা পরিচালনায় হিমসিম খেতে হচ্ছে। অতিদ্রুত শুন্যপদ গুলো পুরণের জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ জানাচ্ছি। উপজেলা শিক্ষা অফিসার নুর মোহাম্মদ জানান সহকারী শিক্ষা অফিসারের ৯টি পদ শুন্য থাকায় বিদ্যালয়সমূহ তদারকি ও মনিটরিং কাজ ব্যাহত হচ্ছে।