লক্ষ্ণীপুর সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নে মহিলা জামায়াতের কর্মী সমাবেশকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার আছরের নামাজের পর চরশাহী এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় জামায়াত সমর্থিতরা জানান,সংঘর্ষে জামায়াতের যুব বিভাগের সহ-সাধারণ সম্পাদক সাকিবসহ ইউনিয়ন জামায়াতের যুব বিভাগের আব্দুর রহমান, এমরান হোসেন, সাহাদাত হোসেন খোকন, হিজবুল্লাহ ও সাকিবসহ মোট ১২ জন আহত হন। এছাড়া বিএনপির সমর্থিতরা অভিযোগ করে জানান, জামায়াতের হামলায় বিএনপির যুবদল ও ছাত্রদলের আব্দুল, মোহাম্মদ কামাল হোসেন, রাসেল ভুঁইয়াসহ আরও কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। জামায়াতের নেতা হিজবুল্লাহ সোহেল অভিযোগ করে বলেন, মহিলা জামায়াতের কর্মী সমাবেশ চলাকালে বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। তার দাবি, দাসেরহাট এলাকার বিএনপি নেতা দুলাল, রাসেল ভুঁইয়াসহ যুবদল ও বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী জামায়াতের কর্মীদের ওপর হামলা করেন। এতে জামায়াতের অন্তত ১২ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে আব্দুল রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে তিনি দাবি করেন। অন্যদিকে বিএনপির নেতা সাইফুল জামান শরীফ বলেন, চরশাহী ইউনিয়নে তাদের একটি কর্মসূচি চলছিল। এ সময় কয়েকজন এসে অভিযোগ করেন, টিসিবির মালামাল দেওয়ার কথা বলে নারীদের কাছ থেকে ভোটার আইডি ও বিশ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি জানাতে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলার শিকার হন। এতে তাদের চারজন আহত হন বলে তিনি দাবি করেন। চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম জানান, ভোটার আইডি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সংঘর্ষের ঘটনাটি চরশাহী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিনের বাড়ির সামনে ঘটে।