দৌলতপুর সীমান্তে সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মালামালের সর্বমোট আনুমানিক সিজার মূল্য (তেত্রিশ লক্ষ পঁয়ত্রিশ হাজার ছয়শত পঁঞ্চাশ) টাকা।
সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধীনস্থ জামালপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার জয়পুর মাঠপাড়া নামক স্থানে একটি চৌকস বিজিবি টহল দল অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ২৯ বোতল মদ, ৯৫০ পিস সাইপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট এবং ১৮০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক সিজার মূল্য ৩,৮২,৫০০/- (তিন লক্ষ বিরাশি হাজার পাঁচশত) টাকা।
২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখ কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধীনস্থ জয়পুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া নামক স্থানে একটি চৌকস বিজিবি টহল দল অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ০৯ বোতল মদ, ১,৮০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট এবং ৮০ প্যাকেট পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য (পাঁচ লক্ষ সাতান্ন হাজার নয়শত) টাকা।
২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখ কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধীনস্থ কাজিপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার পশ্চিম ধর্মদাহ মাঠ নামক স্থানে একটি চৌকস বিজিবি টহল দল অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ১৫ বোতল মদ, ২,৪০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট এবং ৪,০০০ পিস সাইপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক সিজার মূল্য (ঊনিশ লক্ষ বিয়াল্লিশ হাজার পাঁচশত) টাকা।
২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখ কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধীনস্থ আশ্রায়ন বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার পুরাতন ঠোটারপাড়া মাঠ নামক স্থানে একটি চৌকস বিজিবি টহল দল অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ৯০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট, ৬০০ পিস সাইপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট এবং ৫০ প্যাকেট পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য (চার লক্ষ বায়ান্ন হাজার সাতশত পঁঞ্চাশ) টাকা।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদকদ্রব্যের অনুপ্রবেশ রোধে সর্বদা সতর্ক ও দৃঢ়ভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সীমান্ত এলাকায় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানি মালামালের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা, নজরদারি ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।