আসন্ন পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ শহরে আয়োজিত জশনে জুলুস সফল, সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। মতবিনিময় অনুষ্ঠানে আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ বাহাদুর শাহ মুজাদ্দেদী আল-আবেদী হুজুর কিবলা-এর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার ওলামায়ে কেরাম, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলরা অংশ নেন। এ সময় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ-এর তাৎপর্য, জশনে জুলুসের প্রস্তুতি এবং অনুষ্ঠানকে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে সফল করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় বক্তারা বলেন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও আনন্দের দিন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর আগমন মানবজাতির জন্য মহান আল্লাহর বিশেষ রহমত। তাই তাঁর জন্ম ও আগমনের স্মরণে আয়োজিত জশনে জুলুসকে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মতবিনিময় সভায় জশনে জুলুসের সার্বিক প্রস্তুতি, ওলামায়ে কেরাম ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অংশগ্রহণ, বিভিন্ন পর্যায়ের সমন্বয় এবং অনুষ্ঠান চলাকালে শৃঙ্খলা বজায় রাখাসহ বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয়ে মতামত প্রদান করা হয়। আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ বাহাদুর শাহ মুজাদ্দেদী আল-আবেদী হুজুর কিবলা বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ-এর জশনে জুলুস শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং মহানবী ﷺ-এর প্রতি মুসলমানদের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও আনুগত্য প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম। এ আয়োজনকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ওলামায়ে কেরাম, ধর্মীয় সংগঠন, দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ মুসল্লিদের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, জশনে জুলুসে অংশগ্রহণকারীদের ইসলামী আদব-আখলাক ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর পবিত্র জীবনাদর্শ, মানবিকতা, শান্তি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের শিক্ষা মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। মতবিনিময় সভায় নারায়ণগঞ্জ শহরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ-এর জশনে জুলুসকে ব্যাপকভাবে সফল করার লক্ষ্যে ওলামায়ে কেরাম ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়। সভায় উপস্থিত ওলামায়ে কেরাম জশনে জুলুসের সার্বিক সফলতা কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন এবং পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ-এর শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, আসন্ন পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ শহরে আয়োজিত জশনে জুলুসকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।আসন্ন পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ শহরে আয়োজিত জশনে জুলুস সফল, সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। মতবিনিময় অনুষ্ঠানে আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ বাহাদুর শাহ মুজাদ্দেদী আল-আবেদী হুজুর কিবলা-এর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার ওলামায়ে কেরাম, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলরা অংশ নেন। এ সময় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ-এর তাৎপর্য, জশনে জুলুসের প্রস্তুতি এবং অনুষ্ঠানকে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে সফল করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় বক্তারা বলেন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও আনন্দের দিন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর আগমন মানবজাতির জন্য মহান আল্লাহর বিশেষ রহমত। তাই তাঁর জন্ম ও আগমনের স্মরণে আয়োজিত জশনে জুলুসকে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মতবিনিময় সভায় জশনে জুলুসের সার্বিক প্রস্তুতি, ওলামায়ে কেরাম ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অংশগ্রহণ, বিভিন্ন পর্যায়ের সমন্বয় এবং অনুষ্ঠান চলাকালে শৃঙ্খলা বজায় রাখাসহ বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয়ে মতামত প্রদান করা হয়। আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ বাহাদুর শাহ মুজাদ্দেদী আল-আবেদী হুজুর কিবলা বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ-এর জশনে জুলুস শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং মহানবী ﷺ-এর প্রতি মুসলমানদের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও আনুগত্য প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম। এ আয়োজনকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ওলামায়ে কেরাম, ধর্মীয় সংগঠন, দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ মুসল্লিদের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, জশনে জুলুসে অংশগ্রহণকারীদের ইসলামী আদব-আখলাক ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর পবিত্র জীবনাদর্শ, মানবিকতা, শান্তি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের শিক্ষা মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। মতবিনিময় সভায় নারায়ণগঞ্জ শহরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ-এর জশনে জুলুসকে ব্যাপকভাবে সফল করার লক্ষ্যে ওলামায়ে কেরাম ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়। সভায় উপস্থিত ওলামায়ে কেরাম জশনে জুলুসের সার্বিক সফলতা কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন এবং পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ-এর শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, আসন্ন পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ শহরে আয়োজিত জশনে জুলুসকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।