টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে জিও ব্যাগ স্থাপন করে নদী ভাঙনরোধ করায় একটি বিধ্বস্ত সড়কের পূন:নির্মাণের ব্যবস্থা সুগম হয়েছে। এতে ওই অঞ্চলের অন্তত ৭টি গ্রামের সুবিধাভোগী মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। উপজেলার ফাজিলহাটি ইউনিয়নের টুকচানপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া এলেংজানী নদী। ওই নদীর তীর ঘেষে এলাচিপুর নামক স্থান থেকে টুকচানপুর গামী একটি সড়ক। প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে সড়কটির প্রায় ১০০ মিটার জায়গা ধসে যায়। কোনো রকম দায়সারা সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা হয়। চলতি বর্ষা মৌসুমে ওই স্থান একেবারেই ধসে পড়ে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বিষয়টি এলাকাবাসী স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. রবিউল আওয়ালকে অবহিত করেন। পরে এ নিয়ে ওই এলাকায় এক মতবিনিময় সভা করেন সাংসদ। সভায় ভাঙনরোধ করে সড়ক পূন:নির্মানের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। সে মোতাবেক পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহায়তায় কবলিত স্থানে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙনরোধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জিও ব্যাগ ফেলে নদী ভাঙন রোধ করে সড়কটি পূন:সংস্কারের পথ সুগম হওয়ায় এলাকাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
ফাজিলহাটী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য দেলোয়ার হোসেন বলেন, প্রতি বছরই সড়কটি ভেঙে যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে যেতো। কিন্তু কেউই এ ব্যপারে এগিয়ে আসেননি। আমাদের এমপি রবিউল আওয়াল লাভলু মহোদয় আমাদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে পাশে এসে দাড়ান এবং ৩দিনের মধ্যেই জিওব্যাগ ফেলে রাস্তাটি পূণ:নির্মানের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ। টুকচানপুর গ্রামের বাসিন্দা শাহজাহান মিয়া বলেন, ইতিপূর্বে এখানে সংস্কার কাজ হয়েছে কিন্তু কাজ ভালো হয় নাই। তবে বর্তমান সরকারের ব্যবস্থাপনায় যে কাজটি হয়েছে তা অত্যন্ত টেকসই ও সন্তোষজনক।
ফাজিলহাটি গ্রামের সমাজসেবক মামুন মিয়া বলেন, আমাদের এলাকার মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এমপি মহোদয় দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছেন। আমারা আশা করবো তিনি ধারাবাহিক ভাবে এ এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখবেন।