সৈয়দপুরে চোরাই বৈদ্যুতিক তারসহ ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

এফএনএস (ওবায়দুল ইসলাম; সৈয়দপুর, নীলফামারী) : | প্রকাশ: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০১:১৭ পিএম
সৈয়দপুরে চোরাই বৈদ্যুতিক তারসহ ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

নীলফামারীর সৈয়দপুরে প্রায় ৪০ হাজার টাকা মূল্যের চোরাই বৈদ্যুতিক সার্ভিস তার কেনার অভিযোগে নুরুল ইসলাম নুরু (নুরু) নামে এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে চুরি হওয়া বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সৈয়দপুর থানার একটি দল অভিযান চালিয়ে শহরের পাওয়ার হাউজের পাশের নুরুল ইসলাম নুরুর ভাঙ্গারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে চোরাই বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম রেজা বলেন, নুরুল ইসলাম নুরু দীর্ঘদিন ধরে চোরাই মালামাল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। চোরদের সঙ্গে তার সখ্যতা থাকায় এলাকায় বৈদ্যুতিক সার্ভিস তার চুরির ঘটনা ঘটছিল বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চোরাই তার উদ্ধারসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ ঘটনায় সৈয়দপুর থানায় চুরির মামলা করা হয়েছে। পরে গ্রেপ্তার নুরুল ইসলাম নুরুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

এদিকে, সৈয়দপুরে সাম্প্রতিক সময়ে রাতের বেলায় বৈদ্যুতিক তার চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও বৈদ্যুতিক তার চুরির ঘটনা ঘটছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের আঁধারে সংঘবদ্ধ চোরেরা বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে সার্ভিস তার কেটে নিয়ে যাচ্ছে। চুরি ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল ও নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা। সচেতন মহলের অভিযোগ, সৈয়দপুর শহর ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ছোট-বড় মিলিয়ে অর্ধশতাধিক ভাঙ্গারি লোহার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে চোরাই মালামাল কেনাবেচা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকি করা প্রয়োজন। তাদের মতে, চোরাই মাল কেনার বাজার বন্ধ করা গেলে তার চুরিসহ বিভিন্ন ধরনের চুরি অনেকাংশে কমে আসবে। সচেতন নাগরিকরা চোরাই মালামাল কেনাবেচা বন্ধে ভাঙ্গারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত অভিযান, মালামাল ক্রয়ের ক্ষেত্রে রেকর্ড সংরক্ষণ এবং সন্দেহজনক মালামালের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে