নগদ ১৭ লাখ টাকা ও ২০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লুট

বৃক্ষ মেলায় পরিবার, ফাঁকা বাড়িতে দুর্র্ধষ চুরি

এফএনএস (মোঃ রিয়াছাদ আলী; কয়রা, খুলনা) : | প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম
বৃক্ষ মেলায় পরিবার, ফাঁকা বাড়িতে দুর্র্ধষ চুরি

খুলনার কয়রায় পরিবারের সদস্যরা বৃক্ষ মেলায় ঘুরতে যাওয়ার সুযোগে এক ব্যবসায়ীর ফাঁকা বাড়িতে দুর্র্ধষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় চোরেরা নগদ ১৭ লাখ টাকা ও আনুমানিক ২০ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর কয়রা গ্রামের বাংলালিংকের উপজেলা ডিস্ট্রিবিউটর ব্যবসায়ী মো. মাসুম বিল্লাহর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে মাসুম বিল্লাহর স্ত্রী রিমা খাতুন, তাদের তিন মেয়ে, শাশুড়ি ও ননদরা উত্তর বেদকাশীর কাছারীবাড়িতে আয়োজিত বৃক্ষ মেলায় ঘুরতে যান। এ সময় মাসুম বিল্লাহ বাড়িতেই ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বাড়ি থেকে বের হওয়ার প্রায় ৩০ মিনিট পর তিনিও প্রয়োজনীয় কাজে বাইরে চলে যান। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে ফিরে ঘরে প্রবেশ করে দেখতে পান, ওয়্যারড্রোবের দরজা খোলা। ভেতরে থাকা টাকার ব্যাগ ও স্বর্ণালংকারের প্যাকেটও এলোমেলো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে আশপাশের লোকজনকে জানালে তারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। ভুক্তভোগী রিমা খাতুন বলেন, “শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে আমি আমার তিন মেয়ে, শাশুড়ি ও ননদদের নিয়ে কাছারীবাড়ি বৃক্ষ মেলায় যাই। আমার স্বামী তখন বাড়িতে ছিলেন। আমি যাওয়ার প্রায় ৩০ মিনিট পর তিনিও বাইরে চলে যান বলে ফোনে জানান। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বাড়িতে ফিরে দেখি ঘরের ওয়্যারড্রোব খোলা। গহনার প্যাকেট ও টাকার ব্যাগ পড়ে আছে। তখন বুঝতে পারি, বাড়িতে চুরি হয়েছে। ব্যবসায়ী মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, “আমি প্রতিদিন ব্যবসার টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিই। কিন্তু শুক্রবার হওয়ায় টাকা ব্যাংকে পাঠাতে না পেরে বাসায় রেখেছিলাম। সেই সুযোগেই চুরির ঘটনা ঘটেছে। পরিবারের দাবি, বাড়ির পেছন দিক দিয়ে রান্নাঘরের একটি ছোট ফাঁকা জায়গা দিয়ে চোরেরা ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে। চুরি যাওয়া মালামালের মধ্যে নগদ ১৭ লাখ টাকা ও আনুমানিক ২০ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার রয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহা. রাশেদুল আলম বলেন, চুরির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে