কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় ক্ষমতাসীন দল ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভারতীয় সীমান্ত থেকে বৈধ জিরার চালান বহনকারী ট্রলার আটকে চাদাবাজি ও ১০০ বস্তা জিরা লুটের ঘটনায় স্থানীয় এক সেচ্ছসেবকদল নেতার বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে । অপর দিকে পৃথক ঘটনায় মোটরসাইকেল চুরির সময় হাতে নাতে ধরা পড়েছেন এক ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা। পর পর দুটি অপরাধ মূলক ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হিলচিয়া ঘাটের ট্রলার আটেকে জিরা লুট ও চাদাবাজি এজাহার প্রাপ্ত স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বিশ সেপ্টেম্ভর অনুমান সকাল ৭টা দিকে সিলেট সদর থেকে টলার যুগে ২০০ বস্তা এলসি করা বৈধ ভারতীয় জিরা নিয়ে সিলেটের দিরাই উপজেলার করিমপুর এলাকার ব্যবসায়ী মোঃ সোহেল আহম্মেদ গন্তব্যর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন । পর দিন ২১ সেপ্টেম্ভর রাতে ট্রলারটি হিলচিয়া বাজারঘাটে পৌছায় সেখানে পতিত দুইজন নেতা সহ কয়েকজন কর্মী ট্রলারের শ্রমিকদের বিভিন্নধরণের ভয়বৃত্তি দেখিয়ে চাদা দাবি করেন বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে। তারা নগদ টাকা না পেয়ে বিকাশের মাধ্যমে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে এলাকায় অভিযোগ উঠেছে। পরবর্তীতে রাত সাড়ে বারোটার দিকে কয়েকজন নেতা মটরবাইকে এসে কাভার্ড ভ্যানের চাবি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরবর্তী নিকলী থানাধীন পাড়া বাজিতপুর হাওরে নিয়ে যায়।ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া ১০০ বস্তা জিরার আনুমানিক মূল্য চৌদ্দ লক্ষ টাকা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত কাওছার আহম্মেদ বলেন, আমি বা আমার লোকেরা এই ঘটনার সাথে কোন ভাবেই জড়িত নই। আমাদের রাজনৈতিক ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন। অন্য দিকে সরারচর ইউনিয়নে মটরসাইকেল চুরির অভিযোগে এক ছাত্রদল নেতাকে স্থানীয় জনতা ও পুলিশ আটক করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে এই চক্রটি দীর্ঘ দিন ধরে এই অপরাধগুলো করে আসছে বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে।