সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাম-ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে পরিচিত বিএনপি নেতাদের, অথচ আড়ালে থাকছে অ্যাকাউন্ট পরিচালনাকারীর পরিচয়। সীতাকুণ্ডে এমন ফেক আইডি থেকে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বক্তব্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে নেতাদের বিরুদ্ধে প্রচারিত বক্তব্যের বিষয়ে প্রকাশ্যে জবাব দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক যুগ্ম মহাসচিব লায়ন আসলাম চৌধুরী এফসিএ। তাঁর বক্তব্য, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে পরিচয় গোপন রেখে নয়, তথ্য-প্রমাণসহ প্রকাশ্যে তা তুলে ধরতে হবে।
২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আসলাম চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময়ে যারা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, তাদের নিয়েই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা বক্তব্য ছড়ানো হচ্ছে। কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তার প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বান জানান তিনি।
সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. মোরসালিনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বক্তব্যের প্রসঙ্গও উঠে আসে। আসলাম চৌধুরী তাকে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় নেতা হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য, রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময়ে মোরসালিনসহ দলের অনেক নেতাকর্মী মামলা ও গ্রেপ্তারের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেননি।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ তুলে আসলাম চৌধুরী বলেন, তিনিও দীর্ঘ সময় কারাবন্দি ছিলেন। ওই সময়ে দলের বহু নেতাকর্মী মামলা ও গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হয়েছেন। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও তা যেন তথ্যহীন ব্যক্তিগত আক্রমণে রূপ না নেয়, এমন আহ্বান জানান তিনি।
মোরসালিন বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে কোনো প্রকৃত অভিযোগ থাকলে তা তথ্য-প্রমাণসহ প্রকাশ্যে তুলে ধরা হোক। ফেক আইডির আড়ালে বক্তব্য ছড়িয়ে কাউকে হেয় করার পরিবর্তে অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রমাণ সামনে আনার ওপর গুরুত্ব দেন। স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, কয়েকটি ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে দলীয় নেতাদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিষয়ে বিভিন্ন পোস্ট দেওয়া হচ্ছে। এসব পোস্টে নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।