পাবনার চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের করকোলা গ্রামের অদূরে বওশা ব্রিজের পাশে ব্যক্তি মালিকানাধিন জমি দখল করে সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে জমির মালিক চাটমোহর পৌরসভার বালুচর মহল্লার আঃ লতিফ সরকারের স্ত্রী মমতাজ মহল একাধিকবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও চাটমোহর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অবশেষে আদালতে মামলাও করেছেন। কিন্তু সড়ক নির্মাণ বন্ধ করা হচ্ছে না। এনিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
মোছাঃ মমতাজ মহল অভিযোগ করেছেন,করকোলা মৌজার ১০৯১ ও ১০৯২ নং দাগে ফসলি জমির সিমানা ঘেঁষে সরকারি সড়ক চলে গেছে। সড়ক নির্মাণকালে একটি দাগের জমি হুকুম দখল করা হয়। হুকুম দখলকৃত জায়গাতে সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু করকোলা থেকে বওশা ব্রিজ অভিমুখে প্রথমে মাটির রাস্তা নির্মাণ করা হয়। এখন সেখানে পাকা সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। এ রাস্তা ও পাকা সড়ক নির্মাণের জন্য কোন সরকারি জায়গা না থাকায় করকোলা গ্রামের কতিপয় ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে ব্যক্তি মালিকানাধিন ফসলি জমি বিনষ্ট করে প্রখমে জোরপূর্বক মাটি ফেলে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করে। শুধু তাই নয়, জমি থেকে মাটি কেটে বড় গর্তের সৃষ্টি করেছে।
এই প্রকল্পে তৎকালীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ৭ মে.টন গমের বিশেষ বরাদ্দ দেন। জমির মালিক মমতাজ মহল অভিযোগ করেন,জমির মাটি কেটে রাস্তা নির্মাণে বাধা দিলে তাকে ও তার স্বামীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে ওই মাটির রাস্তায় এলজিইডি সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। যা চলমান আছে। সড়কটি ব্যক্তি মালিকানাধিন জমি দখল করে নির্মাণ করা হচ্ছে।
গতকাল সোমবার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়,করকোলা কবরস্থানের পাশ দিয়ে বওশা ব্রিজ অভিমুখে সড়ক নির্মাণ কাজ চলছে। এলজিইডি এই কাজ করছে। ব্যক্তি মালিকানাধিন জমি জবর দখল করে তৈরি করা হচ্ছে এই সড়ক। উপজেলা প্রকৌশলী ইজাজুল আলম বলেন,আগেই মাটির রাস্তা ছিল। পরে এটি এলজিইডি পাকাকরণের কাজ করছে। আইনগতভাবে কোন সমস্যা হলে কিংবা কেউ যদি জমি না দেন,নিজের জমি হয়,তাহলে রাস্তা হবেনা। তবে সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।