পাবনায়

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের তথ্যসংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

এফএনএস (খাইরুল ইসলাম বাসিত; পাবনা) : | প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ০৬:২৭ পিএম
ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের তথ্যসংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পাবনায় মাঠপর্যায়ের তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করা হয়েছে। পাবনা সদর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে পাবনা সদর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয় জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের জন্য মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও তদারকির কাজে সংশ্লিষ্টদের দক্ষতা বাড়ানো এবং সঠিক তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে প্রশিক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামারা তাসবিহা, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আব্দুল কাদের, পাবনা প্রেসক্লাবের সম্পাদক জহুরুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন ।

জানা গেছে, নারীর ক্ষমতায়ন ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা দিতে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার। পাইলটিং পর্যায়ে পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বালিয়াডাঙ্গী ও আড়িয়াগোহাইলবাড়ী গ্রামে ৭৮৯টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ৫৭৮টি নারীপ্রধান পরিবার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় এসেছে। তাঁরা প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে দেশের যোগ্য নারী পরিবারপ্রধানদের এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নতুন করে ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে ভাতা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

খানা জরিপের সময় তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ট্যাবলেটের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করবেন। এ জন্য নারী পরিবারপ্রধানের জাতীয় পরিচয়পত্র, এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত মোবাইল সিম ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের নম্বর এবং পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ প্রস্তুত রাখতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।=এদিকে প্রশিক্ষণ উদ্বোধন অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সমাজকল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে ১১ জনকে ৫৩ হাজার টাকা অনুদান, ২৪ জনকে ১০ লাখ ৩০ হাজার টাকা সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ এবং পুনর্বিনিয়োগ হিসেবে ২৯ লাখ ৯২ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে