চাঁদপুর জেলায় বণার্ঢ্য আয়োজনে শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন হওয়ায় জেলার সকল সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, নৌ-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, আনসার, কমিউনিটি পুলিশ, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকসহ চাঁদপুরের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায় ও সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ।
এছাড়াও একই সাথে জেলা ও উপজেলা ও পৌর পূজা উদযাপন পরিষদ, এবং প্রতিটি পূজা মন্ডপ কমিটির সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দকে ও আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।
এক বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘শত বছরের ঐতিহ্য সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ এই শারদীয় দূর্গোৎসব। বিগত বছরের ন্যায় এবারও চাঁদপুর জেলায় অত্যান্ত শান্তিপূর্ণভাবে ২৩২ টি মন্দিরে পূজা সম্পন্ন হয়েছে। প্রশাসনের পাশাপাশি ধর্ম-বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে চাঁদপুরের প্রতিটা মানুষ আমাদের সহযোগিতা করেছেন।এ জন্য তাঁদের প্রত্যেককে আমরা ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’
উল্লেখ্য,সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন এবং বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে সুষ্ঠু এবং সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। জেলা বিএনপি তাঁর অঙ্গ সংগঠনের মাধ্যমে প্রতিটি মন্দিরের নিরাপত্তা বিধান করেছেন পাশাপাশি তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সমূহে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন।
সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মনিক, জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, নৌ পুলিশ সুপার মুশফিকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক একরামুল ছিদ্দিক, চাঁদপুর পৌরসভার প্রশাসক দেবাশীষ চৌধুরী , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিরা নূর, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএমএন জামিউল হিকমা, এনএসআই যুগ্ম পরিচালক আনছার এডজুডেন্ট, চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফয়েজ আহমেদসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, চাঁদপুর প্রেস ক্লাবসহ সকল সাংবাদিক, বিএনপি সহ অন্যান্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ প্রায় ৪ ঘন্টা সময় ধরে উপস্থিত থেকে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে ৬ দিন ব্যাপী উদযাপিত শারদোৎসবের সফল সমাপ্তি টানেন। ধৈর্য্য ধরে প্রতিমা বিসর্জন সমাপন পর্যন্ত উপস্থিত থাকায় সকলকে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই।
বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই ১০ নম্বর চৌধূরীঘাটের ব্যবসায়ীবৃন্দকে। পূজারী ভক্তদের উপচেপড়া ভিড়ের সময় তাঁদের দোকানগুলো উন্মুক্ত করে দেওয়ার জন্য।
পৌর পূজা পরিষদের করিৎকর্মা সভাপতি নেপাল চন্দ্র সাহা এবং সাধারণ সম্পাদক সুমন সরকার জয়কে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।
পরিশেষে ধন্যবাদ জানাই পৌর প্রশাসকসহ পৌরসভার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের, যাঁদের আন্তরিকতায় বিসর্জনঘাটটি মঞ্চসহ নিখুঁতভাবে উপযোগী হয়েছে।