চাটমোহরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাড়ির জায়গা জবরদখলের অপচেষ্টা

এফএনএস (হেলালুর রহমান জুয়েল; চাটমোহর, পাবনা) : | প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
চাটমোহরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাড়ির জায়গা জবরদখলের অপচেষ্টা

পাবনা জেলার চাটমোহর পৌর সদরের বালুচর মহল্লায়আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বসতবাড়ির জায়গা জবরদখলের অপচেষ্টা করা হচ্ছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে করে ওই বাড়িতে বসবাসকারীরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। 

অভিযোগে জানা গেছে,বালুচর মহল্লার মৃত মিয়া আতাহার আলীর ছেলে শামসুজ্জোহা তার ভাই বোনদের সাথে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। শামসুজ্জোহা পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গুড়া উপজেলার রাঙ্গালিয়া গ্রামের ঝনৈকা মিনা পারভীনকে বিয়ে করেন। এই দম্পতি নিঃসন্তান ছিলেন। শামসুজ্জোহা নিজেদের জমিজমার কোন বন্টননামা না করেই তার স্ত্রীর চাপে বসতবাড়ির ৪ শতাংশ জমি স্ত্রী মিনা পারভীনকে রেজিস্ট্রি করে দেন। বিষয়টি অতি গোপনে করা হয়। 

শামসুজ্জোহার মৃত্যুর পর মিনা পারভীন পুনরায় বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন। এক পর্যায়ে তার পূর্বের স্বামীর দেওয়া ৪ শতাংশ জমি বিক্রির উদ্যোগ নেন। বিষয়টি জানার পর শামসুজ্জোহার অপর দুই ভাই মাসুদ রানা  ও ফারুক আহমেদ ৪ শতাংশ জমি নিজেরাই কিনে নেবেন বলে মিনাকে প্রস্তাব দেন। কিন্তু মিনা পারভীন এই প্রস্তাব না মেনে অন্যত্র জমি বিক্রি করবে বলে জানিয়ে দেন। বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও মিনা পারভীনের সাথে যোগাযোগ করতে পারেননি মাসুদ ও ফারুক। মিনা পারভীন মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন ব্যক্তিকে পাঠিয়ে মাসুদ ও ফারুকের পরিবারকে হুমকি দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে ফারুক আহমেদ আদালতের স্মরণাপন্ন হন। আদালত থেকে বিরোধপূর্ণ জমিতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। কিন্তু মিনা পারভীন কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে জনৈক সোহেল রানার কাছে জমি বিক্রি করে দেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞার পরও বাড়ির জায়গা জবরদখলের অপচেষ্টা কলা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

এ বিষয়ে ফারুক আহমেদ বলেন,‘চাকুরির সুবাদে আমরা বাইরে থাকি। তারপরও জমি না কেনার জন্য আমরা সোহেলকে অনুরোধ করেছিলাম। তিনি তা শোনেননি। এখন আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মিনা খাতুন ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকজন দিয়ে বসতবাড়ির এই জায়গা জবরদখলের অপচেষ্টা করছেন। বাড়িতে থাকা আমাদের পরিবারের সদস্যরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।” ফারুক ও তার পরিবারের সদস্যরা আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকার জন্য অনুরোধ করেছেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে