কিশোরগঞ্জের ৬টি উপজেলার মধ্যে সবকয়টি উপজেলায় নদী বেষ্টিত উপজেলা। এসব উপজেলার মধ্যে বাজিতপুর ৩টি ইউনিয়নে সারা বছরই পানি থাকে। ঘোড়াউত্রা নদীতে বর্ষাকালে একদল অসাধু জেলে সমাজ রিং জাল ও নিষিদ্ধ জাল দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছের পোনা, ডিম ওয়ালা মাছ ও ডিমগুলো পর্যন্ত এসব জালের ভিতরে প্রবেশ করার কারণে দুই দশক ধরে দেশীয় মাছ হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে নিকলী উপজেলার ছাতিরচর, শিংপুর এবং দামপাড়া, গুরুই ইউনিয়নের একাংশ ধনু নদী ও কালি নদীতে মাছ একেবারেই কমে যাচ্ছে। এছাড়া কুলিয়ারচর, অষ্টগ্রাম, মিঠামইন ও ইটনা উপজেলার সব হাওরের মধ্যে অবস্থিত। আর সকালে এসব উপজেলার হাওরের নদী গুলোতে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় এসব নদীতে সরকারের নিষিদ্ধ জালগুলো দিয়ে দেশীয় কাতলা, মৃগেল, রুই, তেলাপিয়াসহ বিভিন্ন ধরনের ছোট ছোট মাছ নিয়ে এসে বিভিন্ন আরতে বিক্রি করছে অসাধু জেলেরা। এসব উপজেলার প্রশাসন নদী থেকে জেলেদের নিষিদ্ধ ঘোষিত জালগুলো পুড়িয়ে দেওয়ার পরক্ষণে তারা আবার জাল দিয়ে দেশীয় মাছ শিকার করতে দেখা যাচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান হয়তো কয়েক বছর পরে মিঠাপানির মাছ তেমন পাওয়া যাবে না। বাজিতপুরের বিভিন্ন আরতের বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা বলেন তাদের ব্যবসা এখন মন্দার দিকে যাচ্ছে। সামনের বছর হইতো এই ব্যবসা ছেড়ে অন্য ব্যবসার দিকে মনোযোগ দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। কারণ নদীগুলোর পাড়ের জেলেরা সারা বছর ছোট মাছ ধরেই কিন্তু বর্ষাকালেই সরকারের নিষিদ্ধ ঘোষিত জাল দিয়ে ছোট ছোট পোনা মাছ ধরার কারণে নদীগুলোতে মাছ শূণ্য হয়ে পড়ছে। এসব কারণে তারা এখন ব্যবসায়ের লোকসান গুনতে হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন। বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিস নাসরিন আক্তার বলেন, কয়েকদিন আগে বিভিন্ন হাওর থেকে সরকার ঘোষিত নিষিদ্ধ জালগুলো পুরনো হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।