নওগাঁর আত্রাইয়ে নিখোঁজের তিন দিনের মাথায় গিতা রাণী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে উপজেলার বলরামচক গ্রামের একটি পরিত্যাক্ত বাড়ী থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বৃদ্ধা গিতা রাণী ওই গ্রামের মদন কবিরাজের স্ত্রী। তবে গিতা রাণীর পরিবারের ধারনা ঋনের চাপে পরে সে হয়তো আত্মহত্যা করেছে।
গিতা রাণীর ছেলে মানিক কবিরাজ জানান, তার বাবা-মা বিভিন্ন এনজিও এবং সমিতি থেকে প্রায় ৫লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন। কিন্তু সামর্থ না থাকায় কিস্তি এবং দেনাদারদের টাকা দিতে পারছিলেননা। ফলে বাবা-মা মাঝে মধ্যেই চাপে পরে পালিয়ে বেড়াতেন। এরই মধ্যে গত সোমবার সকাল ১০টা নাগাদ মা গিতা রাণী নিখোঁজ হন। এর পর থেকে তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজা খুঁজি করে কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। বুধবার সকাল ১০টা নাগাদ নিজ বাড়ী থেকে সামান্য অুদরে পরিত্যাক্ত বাড়ীর একটি ঘরের মধ্যে মায়ের মরদেহ ঝুলতে দেখে প্রতিবেশির লোকজন। পরে খবর পেয়ে বুধবার দুপুরে থানাপুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন,টাকা লেনদেন ছাড়া কারো সাথে বিরোধ ছিলনা। তার ধারনা মতে হয়তো ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে অতিরিক্ত চাপে পরে আত্মহত্যা করেছেন।
গিতা রাণীর পরিবার ও স্থানীয়দের বরাদ দিয়ে আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম বলেন,গিতা রাণী বিভিন্ন এনজিও ও সমিতি থেকে অনেক টাকা ঋণ করেছেন। এই ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে অনেক সময় পালিয়ে বেড়াতেন। দেনাদারদের চাপে পরে তিনি হয়তো আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন এরকম ধারনা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে এদিন দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। তবে ময়না তদন্তের রির্পোট হাতে পেলেই কিভাবে তার মৃত্যু হয়েছে এর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তিনি বলেন,নিখোঁজের দিনেই হয়তো মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ থেকে গন্ধ বের হচ্ছে। এঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে