প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা চাটমোহরে পৌরবাসী এখন নানা সমস্যায় হাবুডুবু খাচ্ছে। পৌরসভায় উন্নয়নের নামে নিম্নমানের সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে মর্মে অভিযোগ রয়েছে। সামান্য বৃষ্টির পর প্রতিটি সড়কেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। পৌরসভার প্রধান সড়কসহ অনেক স্থানে জলাবদ্ধতা স্থায়ী রুপ ধারণ করেছে। পৌরসভার প্রতিটি মহল্লা ও সড়কে পানি জমে জনদূর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। নেই ড্রেনেজ ব্যবস্থা। পৌরবাসীর কর আদায়ে পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যেভাবে ব্যস্ত থাকেন,পৌরবাসীর নাগরিক সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে তারা ততটাই উদাসীন। মাসিক বেদন-ভাতা নিতেই যেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যস্ত। পৌরসভার প্রধান সড়কসহ প্রতিটি মহল্লার রাস্তাগুলো যেস একেকটি নালা বা খাল। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা এখন স্থায়ী হয়ে গেছে। এছাড়া বৃষ্টি হলেই যেন পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা জলাশয়ে পরিণত হয়। জলাবদ্ধতা আর ময়লা-আবর্জনা একাকার হওয়ায় এসকল স্থান মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। পৌরসভার পাশ নিয়ে বয়ে যাওয়া বড়াল নদ যেন ময়লার ভাগারে পরিণত হয়েছে। সেখান থেকে সন্ধ্যার পর পরই ঝাঁকে ঝাঁকে মশা উঠে আসে বাসা-বাড়িতে। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ গত কয়েকদিন ধরে মশা নিধনে ওষুধ ছিটালেও,তা তেমন কাজে আসছে না। পৌরসভার বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান,পৌরসভার নাগরিক হিসেবে আমরা সেবা থেকে বঞ্চিত। অসংখ্য বেওয়ারিশ কুকুরের ভয়ে থাকতে হয় তটস্থ। মশার উপদ্রব তো লেগেই আছে। জলাবদ্ধা যেন ‘গোদের উপর বিষফোঁড়।’ পৌরবাসী এ থেকে পরিত্রাণ চান।
এ ব্যাপারে পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল মাহমুদ বললেন,‘পৌরসভায় নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলছে। বৃষ্টি হওয়ার কারণে পানি জমে যায়। পানি নিষ্কাশনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। দ্রুতই প্রকল্প গ্রহণ করা হবে ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন করার জন্য। জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।