স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও বিএমডিএফ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম তারিকুল আলম বলেছেন,চাঁদপুর পৌরবাসী ডাকাতিয়া নদীর পর মেঘনা নদীরও পানি পাবে। এখানে আগামী ৫০ বছরের মধ্যে পানির সমস্যা যেন না থাকে। প্রায় ১০ লক্ষ মানুষের চাহিদা পূরণ হতে পারে। নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য নতুন আরেকটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আর পুরাতন যে কয়টি পানির শোধনাগার রয়েছে সেগুলোও সংস্কার করা হবে।
সোমবার দুপুরে(১৯ মে ২০২৫) চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে পানি সরবরাহ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, নতুন পানি শোধনাগার স্থাপন প্রকল্প গ্রহণের সম্ভ্যাব্যতা যাছাই এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক ও চাঁদপুর পৌরসভার আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর পৌর প্রশাসক মো. গোলাম জাকারিয়া ( ডিডি এলজিডি)।
উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসান কবির,জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর নির্বাহী প্রকৌশলী
আবু মুসা মোহাম্মদ ফয়সাল,চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি রহিম বাদশা, সাধারণ সম্পাদক কাদের পলাশ, সাবেক সভাপতি ও আমার দেশ প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিন মিলন, সংবাদ প্রতিনিধি মো. মিজানুর রহমান, এখন টিভির প্রতিনিধি তালহা জুবায়ের,সাংবাদিক কেএম মাসুদ, পৌরসভার বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা চন্দন প্রমুখ। এ সময় চাঁদপুর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাহী প্রকৌশলী,
পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা,গণমাধ্যম কর্মীবৃন্দ ও অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অতিরিক্ত সচিব একেএম তারিকুল আলম আরো বলেন, আগামী ৫০ বছরের চিন্তা থেকে আমরা এই প্রকল্পটি চাঁদপুরের জেলা প্রশাসকের অনুরোধে এখানে করার উদ্যোগ নিয়েছি। আন্তর্জাতিক এনজিও দাতা সংস্থা এই প্রকল্পের অর্থায়ন করবে। মেঘনা নদীর পানি সংগ্রহের পানি শোধনাগারটি কোন জায়গায় করা যায়। সাইড সিলেকশনের বিষয়টি ঢাকা থেকে পর্যবেক্ষক ও টেকনিক্যাল টিম এসে দেখবে। এটি হলে ভূগর্ভস্থ উৎস হতে পানি উত্তোলনের চাপ কমে আসবে এবং মেঘনা নদীর নিরাপদ সুপেয় পানি মানুষ পাবে।
সভাপ্রধানের বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন বলেন, চাঁদপুর শহরবাসী সবার জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘পরিবেশবান্ধব, টেকসই ও গণমুখী পানি ব্যবস্থাপনা’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামীর জন্য এটি করা হবে।আমার প্রত্যাশা থাকবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে চাঁদপুর পৌরসভারই উপকার হবে।