আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা বাজারে প্রকাশ্যে দা ও রড নিয়ে হামলার চেষ্টা ও অপদস্থকারীদের প্রতিকারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। রোববার সকালে বুধহাটা আঞ্চলিক প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
বুধহাটা গ্রামের মৃত মেহের আলী সরদারের ছেলে মোঃ আব্দুল হামিদ লিখিত বক্তব্যে জানান, তাদের প্রতিবেশী আব্দুল কাদের ও আব্দুস সালাম এর মধ্যে বাড়ীতে যাতায়াতের পথ নিয়ে বিরোধ মিমাংসার জন্য গত ৩০ জুন শালিসী বৈঠক হয়। শালিসে প্রাক্তন চেয়ারম্যান আবুল হাসেম, আব্দুল হান্নান, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডঃ শাহীদুল ইসলামসহ গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। শালিস চলা কালে কাজল ও পলাশ কথা কাটাকাটি করতে থাকলে আমি উঠে গিয়ে উভয় কে ফাঁকা করে দূরে সরিয়ে দিয়ে নিবৃত করি। গত ৬ জুলাই আমি অন্যদের সাথে বুধহাটা গাজী মার্কেটে জামে মসজিদে ঈশার নামাজ পড়তে মসজিদের সিঁড়ি দিয়ে উঠার সময় পেছন দিক থেকে অতর্কিতে আমার নাম ধরে হুংকার দিয়ে আব্দুর রহমানের পুত্র মোঃ আরাফাত দৌড়ে আসতে থাকে। এ সময় তার হাতে দা ও লোহার রড ছিল। তার সাথে নজরুলের ছেলে সাগর, আঃ হাই, আঃ কাদের, আলার ছেলে মুহাসিন, হাফিজুলের ছেলে সজল ও লিটন (পিতা অজ্ঞাত) অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ ও হত্যার উদ্দেশ্যে আমার উপর চড়াও হতে উদ্যাত হলে উপস্থিত ফারুক হোসেন লেলিন, মোঃ আব্দুল হামিদ, কাজল, মো. নয়ন হোসেন ও আলী মুরতাজা আরও অনেকে এগিয়ে গিয়ে তাদেরকে নিবৃত করার চেষ্টা করে। এসময় তারা নানা প্রকার হুমকি ধামকি দিয়ে দেখে নেবে বলে আস্ফালন করে। অস্ত্র দেখিয়ে হুংকার দিয়ে বলে ফাকা পেলে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। প্রকাশ্য বাজারে বহু মানুষের সামনে অস্ত্র হাতে হামলা করতে আসার ঘটনায় আমরা হতচকিত হয়ে পড়ি। বাদী ও বাদীর পরিবারের লোকজন বর্তমানে নিরাপত্তা হীনতায় ভূগছে। এ ব্যাপারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।