গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানার বিটিসিএল টিঅ্যান্ডটি কলোনি জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মহিবুল্লাহ মিয়াজীকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে চট্টগ্রামের আলেমদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন হাটহাজারী ওলামা পরিষদ।
গণমাধ্যমে প্রেরিত বার্তায় হাটহাজারী ওলামা পরিষদের সভাপতি ও হাটহাজারী মাদরাসার সিনিয়র মুফতী ও মুহাদ্দিস মুবাল্লিগে ইসলাম আল্লামা মুফতী জসিম উদ্দিন ও সেক্রেটারি জেনারেল শায়খুল হাদীস মাওলানা জাফর আহমদ বলেন,আমরা জানতে পেরেছি গত কয়েকমাস ধরেই খতিব মুফতি মহিবুল্লাহ মিয়াজীকে চিঠি দিয়ে হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছিলো। ইসকনের নেতা চিন্ময়ের পক্ষে কথা বলতে বলা হচ্ছিলো। বিএনপি, জামাত, এনসিপি- এদের বিরুদ্ধে কথা বলতে বলা হয়েছে। হিন্দু-মুসলমান প্রেমের পক্ষে কথা বলতে বলা হয়েছে। তাদের কথা মতো মসজিদে বয়ান দিলে আমাকে কোটি টাকা দেয়ার কথাও বলেছে তারা। আর না বললে আমাকে প্রাণনাশ ও তার পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করার হুমকিও দেয়া হয়েছে।’বুধবার ফজরের নামাজের পর হাঁটতে বের হলে একটি এম্বুলেন্সে করে ৫ জন এসে তার মুখে কাপড় চেপে তুলে নিয়ে যায়।৫ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাঁকে বিবস্ত্র করে মারধর করেছে। তারা প্রমিত বাংলায় কথা বলছিল। তাদের কথাবার্তা শুনে বাংলাদেশি বলে মনে হয়নি। তারা এক এক করে সব আলেমের ক্ষতি করবে বলে হুমকি দিয়েছে।
নির্যাতিতের এই বয়ানের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে এটা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট এহেন ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড কাদের দ্বারা সংগঠিত হতে পারে।আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সহিত লক্ষ্য করছি,এই উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ইসকন দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল ও দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর পাঁয়তারা চালাচ্ছে।বিগত কিছুদিন আগে ইসকন সন্ত্রাসী কর্তৃক আইনজীবী আলিফ হত্যা,নাবালিকা কিশোরীকে ধর্ষণ এবং খতিব মুফতি হাবিবুল্লাহ মিয়াজীর অপহরণ একই সূত্রে গাঁথা।
অতএব অনতিবিলম্বে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এই উগ্রবাদী সংগঠনটকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করে ইসকনের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ সহ এধরণের সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।