কাহারোলে বীজতলা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বোরো চাষীরা

এফএনএস (মোঃ আব্দুল্লাহ; কাহারোল, দিনাজপুর) :
| আপডেট: ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০২:২১ পিএম | প্রকাশ: ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:৪৮ পিএম
কাহারোলে বীজতলা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বোরো চাষীরা

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বোরো বীজতলা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বোরো চাষীরা। আমন ধান কাটা মাড়াই শেষ হতে না হতেই বোরো ধান চাষাবাদের প্র-‘তি হিসেবে বীজতলা তৈরীর কাজ শুরু করেছেন বিভিন্ন এলাকার কৃষকেরা। উপজেলার কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে উপজেলায় ৬টি ইউনিয়নে হাইব্রীড, উবশী ও স্থানীয় জাতের বোরো ধানের বীজতলা তৈরীর লক্ষ্যমাত্রা ২ শত ৭৯ আশি হেক্টর জমি। কৃষিবিভাগ বোরো চাষীদের বিভিন্ন ধরণের পরামর্শ দেওয়া অব্যাহত রয়েছে। গতকাল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কৃষকদের বোরো ধানের বীজতলা তৈরীর কর্মব্য-্ততা এখন চোখে পড়ার মতো। কেউ বীজতলায় সেচ দিচ্ছেন, কেউ লাঙ্গল দিয়ে, কেউ কোদাল দিয়ে বীজতলা চাষ করছেন আবার মৈ দিয়ে বীজতলা সমান করছেন। অনেক চাষী অঙ্কুরিত বীজ ধানগুলো বীজতলায় ছিটাচ্ছেন এমন দৃশ্য উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখতে পাওয়া গেছে। বীজতলার জন্য সাধারণত এসব নীচু ও খাল জমি নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। কৃষকেরা জানায়, আগে বীজ বপন করতে পারলে ধানের চারা সতেজ ও সুন্দর হয়। আগাম বীজতলার চারা রোপন করলে ধানের ফলন ভালো হয়। উপজেলার ঈশানপুর গ্রামের কৃষক শামসুল ইসলাম জানান, প্রায়ই ১২ বিঘা জমিতে বোরো চাষের জন্য বোরো ধানের বীজতলা তৈরী করেছেন। একই গ্রামের কৃষক হযরত জানান, ৭ বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষের জন্য আগেই বীজতলা তৈরী করে বীজ বোপন করেছেন। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে বোরো চারা ভালো হয় এবং ফলনও ভালো হয়। এবার উপজেলায় ব্রী ধান, ২৮, ২৯, ৫৮, ৮৮, ৮৯, ১০০ ও ১০২ জাতের বীজ ধানের বীজতলা তৈরী করেছেন কৃষকেরা। কাহারোল উপজেলা কৃষি অফিসার ও কৃষিবিদ মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, কৃষকদের ভালো মানের বীজ বপণের জন্য বলা হচ্ছে। তাছাড়া কৃষকেরা পছন্দমত বীজ ক্রয় করছেন। ইতিমধ্যে কৃষকেরা তাদের বীজতলা তৈরীর কাজও অনেকটা শেষ করেছেন।