বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ আশপাশের এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা এড়াতে বিমানবন্দর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
নিরাপত্তার স্বার্থে তারেক রহমান সিলেটে যাত্রাবিরতি দিলেও বিমান থেকে নামবেন না বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদেরও সিলেট বিমানবন্দর এলাকায় না যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে বিএনপি। তবে বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, বিমানবন্দর এলাকায় সাদা পোশাকের পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট কাজ করছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ বলেন, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট অবতরণের আগে থেকেই বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় এবং প্রাপ্ত নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরছেন তারেক রহমান। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ‘ঐতিহাসিক ও স্মরণীয়’ করে তুলতে বিএনপি নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে সিলেটসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নেতাকর্মীরা ঢাকায় অবস্থান নিচ্ছেন।
জানা গেছে, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) লন্ডনের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ১২টা) লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২০২ ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন তারেক রহমান। তাকে বহনকারী ফ্লাইটটি সিলেটে যাত্রাবিরতি দিয়ে সবকিছু ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১১টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। তার সঙ্গে দেশে ফিরছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান