সদ্য বিদায়ী ২০২৫ সাল শেষে আগমন হয়েছে ২০২৬ সালের। কিন্তু বছর পরিবর্তন হলেও মানুষের অস্বস্তির পরিবর্তন হয়নি। বিশেষ করে বাজারে যখন আগের তুলনায় নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যায় তখনই ভোক্তাদের মাঝে ফুটে উঠে অস্বস্থির চাপ। রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাজারে বেড়েছে সবজির দাম। পাশাপাশি বেড়েছে মুরগির দামও।
আজ শুক্রবার রাজধানীর বাজারে, প্রতি কেজি টমেটোর দাম ১০০ টাকা, শিম ৮০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, বেগুন ৬০-৮০ টাকা, পটোল ১০০ টাকা, গাজর ৬০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা ও পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। এছাড়া প্রতি পিস ফুলকপি ২৫-৩০ টাকা ও বাঁধা কপি ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়। সোনালি মুরগির দাম বেড়েছে ৩০-৪০ টাকায়, বিক্রি হচ্ছে ২৭০ টাকায়। এছাড়া লাল লেয়ার মুরগির দাম বেড়েছে ৩০ টাকায়, এখন বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়।
বাজারে কাঁচা মরিচের দামও বেড়েছে। খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি ২০-৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকায়। পাইকারিতে যা ৭০-৮০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
পেঁয়াজ ও আলুর বাজারে নেই তেমন পরিবর্তন। প্রতিকেজি পুরান দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২০ টাকায়, নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজের দাম ৬০ টাকা। আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজের দামও প্রতি কেজি ৬০ টাকার আশেপাশে। আর নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায় প্রতি কেজি।
সবজি বিক্রেতারা বলছেন, কুয়াশার কারণে বাজারে সরবরাহ ঠিকমতো আসছে না। তাই কিছুটা দাম বেড়েছে। সপ্তাহ ব্যবধানে বেশিরভাগ শীতকালীন সবজির দাম ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।