নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. হারুণ অর রশীদের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা। সম্প্রতি তারা টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগটি বর্তমানে টাঙ্গাইলের সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর কাছে তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর ইউপি সদস্য মো. হারুণ অর রশীদ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি বেপরোয়া আচরণ শুরু করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ইউপি সদস্যদের অভিযোগ, উন্নয়ন প্রকল্পে সুষম বণ্টন না করে নিজের ইচ্ছামতো প্রকল্প বাস্তবায়ন, কাজ না করেই প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, প্রকল্পের টাকা লুটপাট এবং নিজের পছন্দের ইউপি সদস্যদের দিয়ে পরিষদের যাবতীয় কাজ করানোর মতো নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এছাড়াও অভিযোগে বলা হয়, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হওয়ার পর তিনি পরিষদের অন্যান্য ইউপি সদস্যদের অবজ্ঞা করতে থাকেন এবং কাউকে তোয়াক্কা না করে একক সিদ্ধান্তে কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এরই মধ্যে তিনি একটি অপহরণ মামলায় জড়িয়ে পড়েন বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ওই মামলাটি স্থানীয়ভাবে আপোষ-মীমাংসা করা হয় বলে দাবি করেছেন ইউপি সদস্যরা। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. হারুণ অর রশীদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,ইউপি সদস্যরা ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে আমার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনে অপসারণের দাবি তুলেছেন। এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন মিয়া বলেন, মগড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. হারুণ অর রশীদের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্যদের দেওয়া অনাস্থার অভিযোগ আমরা পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভারপ্রাপ্ত চয়োরম্যান মো. হারুণ অর রশীদরে বরিুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দয়িছেনে ইউনয়িন পরষিদরে সদস্যরা। সম্প্রতি তারা টাঙ্গাইল সদর উপজলো নর্বিাহী র্কমর্কতার (ইউএনও) কাছে লখিতি অভেিযাগপত্র জমা দনে। অভেিযাগটি র্বতমানে টাঙ্গাইলরে সহকারী কমশিনার (ভূম)ি-এর কাছে তদন্তাধীন রয়ছে।ে অভেিযাগ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট সরকার পরর্বিতনরে পর ইউপি সদস্য মো. হারুণ অর রশীদ ভারপ্রাপ্ত চয়োরম্যান হসিেেব দায়ত্বি গ্রহণ করনে। দায়ত্বি পাওয়ার পর থকেইে তিিন বপেরোয়া আচরণ শুরু করনে বলে অভেিযাগ ওঠ।ে ইউপি সদস্যদরে অভেিযাগ, উন্নয়ন প্রকল্পে সুষম বণ্টন না করে নজিরে ইচ্ছামতো প্রকল্প বাস্তবায়ন, কাজ না করইে প্রকল্পরে র্অথ আত্মসাৎ, প্রকল্পরে টাকা লুটপাট এবং নজিরে পছন্দরে ইউপি সদস্যদরে দেিয় পরষিদরে যাবতীয় কাজ করানোর মতো নানা অনয়িমে জড়েিয় পড়নে তনি।ি এছাড়াও অভেিযাগে বলা হয়, ভারপ্রাপ্ত চয়োরম্যান হওয়ার পর তিিন পরষিদরে অন্যান্য ইউপি সদস্যদরে অবজ্ঞা করতে থাকনে এবং কাউকে তোয়াক্কা না করে একক সদ্ধিান্তে র্কাযক্রম পরচিালনা করনে। এরই মধ্যে তিিন একটি অপহরণ মামলায় জড়েিয় পড়নে বলওে অভেিযাগ রয়ছে।ে পরে মোটা অংকরে র্অথরে বনিমিয়ে ওই মামলাটি স্থানীয়ভাবে আপোষ-মীমাংসা করা হয় বলে দাবি করছেনে ইউপি সদস্যরা। এ বষিয়ে অভযিুক্ত ভারপ্রাপ্ত চয়োরম্যান মো. হারুণ অর রশীদ অভেিযাগ অস্বীকার করে বলনে,ইউপি সদস্যরা ব্যক্তগিত আক্রোশ থেেক আমার বরিুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনে অপসারণরে দাবি তুলছেনে। এসব অভেিযাগ ভত্তিহিীন। এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর উপজলো নর্বিাহী র্কমর্কতা (ইউএনও) শাহীন ময়িা বলনে, মগড়া ইউনয়িন পরষিদরে ভারপ্রাপ্ত চয়োরম্যান মো. হারুণ অর রশীদরে বরিুদ্ধে ইউপি সদস্যদরে দওেয়া অনাস্থার অভেিযাগ আমরা পয়েছে।ি বষিয়টি তদন্তরে জন্য সহকারী কমশিনার (ভূম)ি-কে দায়ত্বি দওেয়া হয়ছে।ে তদন্ত প্রতবিদেনে অভেিযাগরে সত্যতা পাওয়া গেেল তার বরিুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নওেয়া হবে।