বাঘায় পদ্মার চরে ঘুমন্ত যুবককে হত্যা মামলার অজ্ঞাতসহ আসামী ১৪

আমানুল হক আমান; বাঘা, রাজশাহী | প্রকাশ: ৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৪:২০ পিএম
storage/2026/january/06/news/llll_1767694818_695ce1e2bc1c9.jpg
রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার চরে বাড়িতে ঢুকে গুলি করে ঘুমন্ত যুবক সোহেল রানাকে হত্যার ঘটনায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ৫-৬ জনকে অজ্ঞাতসহ মোট ১৪ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সোহেল রানার স্ত্রী সাধিনা বেগম বাদি হয়ে এই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। সোহেল রানা চকরাজাপুর ইউনিয়নের পলাশি ফতেপুরের করালি নওশারা চরের কালু মন্ডলের ছেলে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে পলাশি ফতেপুরের করালি নওশারা পদ্মার চরে রাতের আধারে বাড়িতে ঢুকে গুলি করে ঘুমন্ত অবস্থায় সোহেল রানাকে হত্যা করে দূর্বৃত্তরা। এ দিকে দূর্বৃত্তরদের গুলিতে সোহেল রানার স্ত্রী সাধিনা বেগমের বাম হাতের দুটি আঙগুল উড়ে যায়। স্থানীয় ও পুলিশের ধারনা আগের হত্যা কান্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘কাকন বাহিনী’র লোকজন অর্তকিতভাবে গুড়িছোড়ে এই হত্যা কান্ডটি ঘঠিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর রাজশাহীর বাঘা, নাটোরের লালপুর, পাবনার ঈশ্বরদী এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সীমান্তের পদ্মার চরের নীচ খানপুরের হবির চরের দক্ষিণে চৌদ্দ হাজার মাঠ এলাকার সংযোগস্থল পদ্মার চরে খড় কাটাকে কেন্দ্র করে গোলাগুলির ঘটনায় খানপুরের মিনহাজ মন্ডলে ছেলে আমান মন্ডল ও শুকুর মন্ডলের ছেলে নাজমুল হোসেন নিহত হয়। পরের দিন কুষ্টিয়ার লিটন হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ২৭ অক্টোবর গুলিতে আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে এ্যাম্বুলেন্সে করে রাজশাহী নিয়ে আসেন সোহেল রানা। এই ঘটনার জের ধরে সোহেল হত্যার শিকার হয়েছে বলে দাবি করেন তার পরিবার। এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক বলেন, সোহেল রানা হত্যার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগের হত্যা কান্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দূর্বৃত্তরা রাতের আধারে বাড়িতে ঢুকে রাত সোহেল রানাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
আপনার জেলার সংবাদ পড়তে