রাজধানীর হাজারীবাগে হেযবুত তওহীদ সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামিকে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করে হাজারীবাগ থানা পুলিশ। পরে রোববার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হলে আসামির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হাজারীবাগ থানা পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর কামরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারেও পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, গত ১১ জানুয়ারি রাতে হাজারীবাগের বারইখালী রোডে এক চায়ের দোকানে হেযবুত তওহীদের সদস্যরা সংগঠনের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিমের বক্তব্য প্রদর্শনকালে তাদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় হেযবুত তওহীদের রমনা জোনের সভাপতি মো. এরশাদ আলী শিকদারসহ অন্তত সাতজন সদস্য গুরুতর আহত হন। এরশাদের মাথায় ধারালো চাপাতি দিয়ে কোপ মেরে গুরুতর জখম করা হয়। এছাড়া আল আমিনের মুখে ও হাতে মারাত্মক জখম, সেন্টু ইসলামের চোখে রড ঢুকিয়ে জখম এবং ফারুক হোসেন ও শাহজাহানের মাথায় হাতুড়ির আঘাতে গুরুতর জখম হয়। শাহজাহানের কানের পর্দা ফেটে রক্তক্ষরণের ঘটনাও ঘটে। হামলায় আহত অন্যরা হলেন ফজলে রাব্বী ও নিজাম উদ্দিন। এ ঘটনায় ১৭ জানুয়ারি হেযবুত তওহীদের রমনা জোনের সভাপতি মো. এরশাদ আলী শিকদার বাদি হয়ে হাজারীবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা হলেন মো. পারভেজ হোসেন (৩০), মনির হোসেন (২৬), সারোয়ার সিফাত (৩০), তানভীর আহাম্মেদ আশিক (২৬), সালাউদ্দিন (২৫), মো. রুবেল (৩০), রাকিব (২৬), ইসমাঈল (৩২), ফয়সাল (২৬), জুয়েল (২৬) ও আনোয়ার (২৫)। তারা সবাই হাজারীবাগ থানা এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।