মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার সোনালী মার্কেট এলাকায় মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের সমর্থকদের মিছিলে সংঘর্ষের ঘটনায় ৭ জন আহত হয়েছেন। আহত সবাইকে নিজের সমর্থক বলে দাবি করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকাল পৌনে পাঁচটায় গজারিয়া ইউনিয়নের সোনালী মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। আহতরা হলো: মামুন (৪৭), মানিক (৪২), আল আমিন (২৫), স্বপন সরকার (৫৫), বাবু (৪০), জয়নাল (৩৮)। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কামরুজ্জামান রতন বলেন, “আমি আজকে মুন্সীগঞ্জ শহরে প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত ছিলাম। যারা এই কাজটি করেছে, তারা খুব খারাপ কাজ করেছে। এর দায়ভার আমি বা আমার দল নেব না, যারা করেছে, তাদেরকে দায়ভার নিতে হবে।” ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নাজমুল হোসেন বলেন, “শুক্রবার বিকাল পৌনে পাঁচটার দিকে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ ৩ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী মহিউদ্দিনের সমর্থনে আমরা একটি মিছিল বের করেছিলাম। মিছিলটি গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে শুরু হয়ে গজারিয়া গার্লস স্কুল পার হয়ে সোনালী মার্কেট এলাকায় আসলে ২০-২৫ জন রতন সমর্থক লাঠিসোটা হাতে ওতর্কিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালায়। তাদের লাঠিপেটায় আমরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যাই। আমাদের ৭-৮ জন আহত হয়েছে। আহতরা বিভিন্ন ফার্মেসি থেকে চিকিৎসা নিয়েছে।” বিষয়টি সম্পর্কে স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন সমর্থক হুমায়ন খান বলেন, “নিন্দাজনক এই হামলার নিন্দা জানাই। আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক হিসেবে কি স্বাধীনভাবে প্রচার-প্রচারণা চালানোর অধিকার নেই? আমার কাছে আসা তথ্য অনুযায়ী আমাদের ৭ জন সমর্থক এই ঘটনায় আহত হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।” স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন বলেন, “আমার ৭-৮ জন কর্মী আহত হওয়ার খবর আমি পেয়েছি। জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে আমি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। আমার প্রতিপক্ষ বুঝতে পেরেছে মুন্সীগঞ্জ ৩ আসনে আমার জনসমর্থন অনেক বেশি, তাই বাধ্য হয়ে তারা প্রথম থেকেই মারমুখী আচরণ করছে। আমি এই ঘটনায় নিন্দা জানাই এবং জড়িতদের শাস্তির দাবি করছি।” গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হাসান আলী বলেন, “এরকম একটি খবর আমরা পেয়েছি। খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”