নীলফামারী-২ আসনে

ভোট যুদ্ধ হবে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা

এফএনএস (ওবায়দুল ইসলাম; সৈয়দপুর, নীলফামারী) : | প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ০১:৪৩ পিএম
ভোট যুদ্ধ হবে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা

সংসদীয় আসন নীলফামারী-২,( সদর)। এ আসনে একটি প্রথম শ্রেণীর পৌরসভাসহ  ১৫ টি ইউনিয়ন।  সংসদীয় এ আসনে ভোট যুদ্ধে নেমেছেন ৬ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে  বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আল ফারাক আব্দুল লতিফ লড়ছেন দাঁড়িপাল্লা নিয়ে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল  বিএন পির প্রার্থী বেগম খালেদা জিয়ার ভাগ্নে প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম ধানের শীষ নিয়ে মাঠে কাজ করছেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী হাছিবুল ইসলাম হাতপাখা নিয়ে ভোট যুদ্ধে লড়ছেন।খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মোঃ মনোয়ারুল আলাম দেওয়াল ঘডি মার্কা নিয়ে ভোট করছেন। বাংলাদেশ ন্যাশনালিই ফ্রন্ট বিএনএফ মনোনীত প্রার্থী মোঃ সিরাজুল ইসলাম টেলিভিশন মার্কা নিয়ে ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। মোঃ মিনহাজুল ইসলাম মিনহাজ স্বতন্ত্র প্রার্থী। তিনি ফুটবল মার্কা নিয়ে ভোট করছেন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ মাস ৮৫ হাজার ৭শ ৮৫ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৪ জন এবং মহিলা ভোটার ১ লাখ ৯২ হাজার ৭শ ৪৯ জন। তৃতীয় লিঙ্গ ভোটার ২ জন। ভোট কেন্সের সংখ্যা ১৩৪টি। কক্ষের সংখ্যা ৭৫৬টি। আগামি ১২ ফেব্রুযারি এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কথা হয় বিভিন্ন শ্রেণি  পেশার সাধারণ ভোটারদের সাথে। তারা জানান, এখানে লড়াই হবে জামায়াত ও বিএনপির । তবে জামায়াত প্রার্থীর জয়ের সম্ভবনা বেশি। কারণ হিসেবে তারা জানান নীলফামারী সদর জামায়াতের শক্ত ঘাঁটি। তাছাড়া জামায়াতের সাংগঠনিক কার্যক্রম অত্যন্ত মজবুত। যিনি প্রার্থী হয়েছেন তিনি একজন অত্যন্ত ভাল মানুষ এবং আইনজীবী। আর এ আসনে হঠাৎ করে বেগম খালেদা জিয়ার ভাগ্নে শাহরিন ইসনাম প্রার্থী হয়ে আসছেন। এখানে অনেক আগে থেকেই বিএনপির প্রার্থী হয়ে মাঠে ছিলেন এ এইচ এম সাইফুল্লাহ রুবেল। প্রার্থী পরিবর্তন বিষয়টি সাধারণ ভোটাররা ভাল চোখে দেখছেন না। তবে বেগম খালেদা জিয়ার ভাগ্নে প্রার্থী হওয়ায় তাঁকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। ভেটারদের সাথে পরিচিত হতে হবে। তাছাড়া জেলা বিএনপির মধ্যে চলছে নিরব মনোক্ষুন্ন। এদিকে ৫ আগস্টের পর বিএনপি বিভিন্ন জনের নামে যে ঢালাও মামলা দিয়েছে সেগুলোও আলোচনা করছে সাধারণ ভোটাররা। তাই এ আসনে ভোটের মাঠে ভাল অবস্থানে রয়েছে জামায়াত।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে