নীলফামারীর সংসদীয় আসন চার এর সহকারী রিটার্ণিং অফিসার ও সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা নির্বাচন আচরণবিধি প্রচার করেছেন। নির্বাচনে আচরণবিধি ভঙ্গ করলে প্রার্থী বা তার পক্ষের ব্যক্তির ক্ষেত্রে দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড অথবা সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদন্ড অথবা উভয় দণ্ড আরোপ করা হতে পারে। এমনকি কমিশন কর্তৃক প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে। নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ। শুধু ব্যানার-ফেস্টুন টাঙানো যাবে, সাঁটানো বা লাগানো যাবে না। লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড নির্দিষ্ট আকারের চেয়ে বড় করা যাবে না। একজন প্রার্থীর পক্ষে সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে। ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মাধ্যম ব্যতীত নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃতব্য ব্যানার,লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন সাদা-কালো রঙের হতে হবে। ব্যানার ফেস্টুনে শুধু নিজের ও দলীয় প্রধানের ছবি প্রচারে ব্যবহার করা যাবে। প্রচারে অন্য কারও ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ। ছবি অবশ্যই চড়ৎঃৎধরঃ আকারে হবে। মিটিং,সমাবেশ পরিচালনা, প্রার্থনারত বা বিশেষ ভঙ্গিমার ছবি ব্যবহার করা যাবে না। চলাচলের পথে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ। জনসভার পূর্বে অনুমতি নিতে হবে এবং ২৪ ঘণ্টা আগে অবশ্যই পুলিশকে জানাতে হবে। সভায় একই সঙ্গে সর্বোচ্চ তিনটি মাইক অথবা লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যাবে। দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করে প্রচারণা করা যাবে। মাইকের শব্দসীমা সর্বোচ্চ ৬০ ডেসিবেল হতে হবে। নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো সার্কিট হাউজ,ডাক-বাংলো ইত্যাদিসহ কোন প্রকার সরকারি সুবিধা গ্রহণ করা যাবে না। প্রতিদ্বন্দ্বীর প্রচারসামগ্রীর ওপর নিজের প্রচারসামগ্রী টাঙ্গানো যাবে না এবং অন্যের প্রচারসামগ্রী ছেঁড়া/নষ্ট করা যাবে না। কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা যাবে না। সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা বা ভুল কনটেন্ট প্রচার করা যাবে না। বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, বিকৃত ছবি বা ক্ষতিকর কনটেন্ট প্রচার নিষিদ্ধ। বাস, ট্রাক বা মোটরসাইকেল সহযোগে মিছিল/শোভাযাত্রা করা যাবে না। প্রতীক হিসেবে জীবন্ত প্রাণী ব্যবহার করা যাবে না। মশাল মিছিল নিষিদ্ধ। হেলিকপ্টার, ড্রোন ইত্যাদি ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোন প্রতিষ্ঠানে চাঁদা, অনুদান ও বরাদ্দ নিষিদ্ধ। মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও সরকারি অফিস-আদালতে প্রচার চালানো যাবে না। গেইট বা তোরণ বানানো যাবে না। চলাচলের পথে কোনো বাধা সৃষ্টি করে এমন জিনিস স্থাপন করা নিষিদ্ধ। প্রচারণার অংশ হিসেবে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করা যাবে না। ৪০০ বর্গফুটের বেশি জায়গায় প্যান্ডেল তৈরি করা যাবে না। একজন প্রার্থী প্রতি ইউনিয়নে সর্বোচ্চ ১টি ক্যাম্প স্থাপন করতে পারবেন। নির্বাচনি ক্যাম্পে ভোটারদের কোনো কোমল পানীয়, খাবার বা উপঢৌকন দেওয়া যাবে না। ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পূর্বে নির্বাচনি প্রচারণা শেষ করতে হবে।