আশাশুনি উপজেলার গাবতলায় রেকর্ডীয় ও ভোগদখলীয় জমিতে জবর দখলের চেষ্টা এবং হয়রানীর প্রতিকার প্রার্থণা করেছেন জালাল উদ্দীন শেখ। গাবতলা গ্রামের মৃত কামাল উদ্দীন শেখের ছেলে জালাল উদ্দীন শেখ জানান, তিনি খেজুরডাঙ্গা মৌজায় বিআরএস খতিয়ান ১২৮ এ ১, ২, ৬, ৮, ৯, ১০ ও ১৫ নং হাল দাগে ৩২.২১ একর জমির মধ্যে ৪৫ শতক জমি চিত্তরঞ্জনের নিকট থেকে ২০২৪ সালে ক্রয় করেন। জমি মিউটেশন, খাজনাদি পরিশোধ ও রেকর্ড করে ভোগদখল করে আসছি। জমিতে ধান ও মাছ চাষ করে থাকি। ১১ জানুয়ারী ঘের সেচ শেষে ধান চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করি। ১২ জানুয়ারী বিএনপি নেতা তুহিন উল্লাহ তুহিন উভয় পক্ষকে নিয়ে বসেন। সেখানে চিত্তরঞ্জনের ভাইপো দিপঙ্কর কুমার দাশ ২৭ লক্ষ টাকা জমা দিয়ে জমি ফেরৎ পেতে প্রস্তাব করেন। চিন্তা করে জানাব বলে আমরা বাড়িতে ফিরে আলোচনা শেষে টাকা নেবনা জানিয়ে দেই। ১৩ জানুয়ারী কালিপদ দাশ ওরফে সানা অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সাক্ষীরায় পি-৫৭/২৬ নং মামলা করেন। জালাল উদ্দীন বলেন, মামলার নোটিশ প্রাপ্ত হয়ে আমি জমিতে না গিয়ে আদালতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করি। কিন্তু ১৮ জানুয়ারী সন্ধ্যায় কালিপদ দিং আদালত অমান্য করে জমিতে অনাধিকার প্রবেশ করে আচড়া দ্বারা জমি চাষ করতে থাকেন। আমরা বাধা দিতে গেলে তারা হুমকী ধামকী দিয়ে আমাদেরকে হাকিয়ে দেয়। অপরদিকে এসআই অমিত হাসান একই মামলা (পি-৫৭/২৬) পুনরায় নোটিশ করে জমিতে উভয় পক্ষকে স্থিতি অবস্থা বজায় রাখতে আদেশ করেন। এরপরও নোটিশ অমান্য করে বাদী কালিপদ ২১ জানুয়ারী ৮/৯ জনকে নিয়ে জমিতে ধান রোপন করতে শুরু করেন। থানায় খবর দিলে এএসআই অমিত হাসান ঘটনাস্থানে গিয়ে রোপন কাজ বন্ধ করে দেন। ভুক্তভোগি জমির রেকর্ডীয় মালিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে এবং তাকে জমি চাষাবাদের ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানান।