বাজিতপুর নিকলী সংসদীয় আসনে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ০৮ জন। নির্বাচনের আর মাত্র ১৭ দিন বাকী রয়েছে। এরই মধ্যে বিএনপি, জামাত, বিএনপি বিদ্রোহী স্বতন্ত্র ও রাষ্ট্রসংস্কার আন্দোলনের প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই দুই উপজেলায় পুরুষের চেয়ে মহিলাদের ভোটার সংখ্যা কিছুটা বেশি। সব প্রার্থীই এখন মাঠে রয়েছে। গ্রামে গঞ্জে ইউনিয়ন ওয়াডে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করে যাচ্ছেন। যার যার প্রার্থীর পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছেন সকলেই। বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রার্থী এডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, বিএনপি বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের মার্কা হাঁস, বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী বাংলাদেশের জেলা আমীর অধ্যাপক রমজান আলীর মার্কা দাড়িপাল্লা, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম এর মার্কা হরিণ, ইসলামী আন্দোলনের দেলোয়ার হোসাইন তার মার্কা হাত পাকা, জাতীয় পার্টির মাহবুবুল আলম তার মার্কা লাঙ্গল, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মোঃ অলি উল্লাহ তার মার্কা মোমবাতি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ এর মোঃ সাজ্জাদ হোসেন তার মার্কা হারিকেন। সরেজমিন খোজ নিয়ে জানা গেছে, বিনএপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল দলীয় ভাবে মনোনয় না পাওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হাঁস মার্কা নিয়ে বিভিন্ন গ্রামে গঞ্জে তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে উঠান বৈঠক, সমাবেশ ও ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। তিনি ভোটারদের কাছে গিয়ে একটি কথাই বলছেন, রাতের আদারে তার দালীয় মার্কা চুরি করে নিয়ে গেছে। তাই তিনি এখন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাজ করছেন। জনগণ তার রায় দিবে বলেও বিভিন্ন সমাবেশে উল্লেখ করেন। এদিকে তার বাবার গড়া সৈয়দ সিরাজুল হুদা তৌফিক এর জাতীয় দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগদানের পর ধানের শীষ মার্কা নিয়ে এডভোকেট এহসানুল হুদা টিকেট নেন। তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বাজিতপুর নিকলীর বিভিন্ন পাড়ায় পাড়ায় গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও সমাবেশ করে যাচ্ছেন। গত সরকারের আমলে আন্দোলন করতে গিয়ে কয়েকবার জেল খেটেছেন। বিএনপির সভাপতি তারেক জিয়া তাকে এ মনোনয়ন দিয়েছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে। অন্য দিকে জামাতের আমির অধ্যাপক রমজান আলী দাড়িপাল্লা নিয়ে মাঠে রয়েছেন। তাদের কর্মী সমর্থকরা ভিন্ন আঙ্গিকে জনগণের দৌড়গড়ায় গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। তারা বলছেন, বিগত দুটি সরকার দেখেছেন। আমি এবং আমার দল যদি বিজয়ী হয় তাহলে এ দেশ টিকে দূর্নীতি মুক্ত করার চেষ্টা করবেন বলে বিভিন্ন সমাবেশে, উঠান বৈঠকে উল্লেখ করেন।