পটুয়াখালী-৪ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেছেন, পটুয়াখালীর রাখাইন জনগোষ্ঠী এ অঞ্চলের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের জীবনমান উন্নয়ন, সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। রাখাইন সম্প্রদায়ের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপদ বাসস্থান এবং ভূমি-সংক্রান্ত সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা হবে। রবিবার কলাপাড়ার লতাচাপলী ইউনিয়নের গোড়া আমখোলাপাড়া রাখাইন কমিউনিটি সেন্টার অডিটোরিয়ামে আদিবাসী রাখাইন সম্প্রদায়ের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ রাখাইন বৌদ্ধ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন পটুয়াখালী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মংলাচিনের সভাপতিত্বে এবিএম মোশাররফ হোসেন আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া বিভিন্ন সময়ে আদিবাসী রাখাইন সম্প্রদায় ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উন্নয়নে বিশেষ অবদান রেখেছেন। রাখাইন সম্প্রদায়ের ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন, যোগাযোগ অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং সামগ্রিক জীবনমান উন্নয়নে সরকারি উদ্যোগের কথা তিনি তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ূন শিকদার, মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল জলিল হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন মুসুল্লী সুলতান, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদার এবং কলাপাড়া পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কাজল তালুকদারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রাখাইন বৌদ্ধ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন পটুয়াখালী জেলা সভাপতি এমং তালুকদার, রাখাইন বৌদ্ধ বিহার পটুয়াখালী জেলা সভাপতি মংখেনসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা। সভায় কুয়াকাটা, লতাচাপলী ও মহিপুর এলাকার বিপুলসংখ্যক রাখাইন নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। মতবিনিময় সভায় রাখাইন সম্প্রদায়ের নেতারা তাদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রত্যাশা ও উন্নয়ন চাহিদার কথা তুলে ধরেন। বক্তারা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং উপকূলীয় অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা গুরুত্বসহকারে উল্লেখ করেন।