সিলেটে কিন্ডারগার্টেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু বরণ

এফএনএস (এইচ এম শহিদুল ইসলাম; সিলেট) : | প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম
সিলেটে কিন্ডারগার্টেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু বরণ

সিলেটের সরকারি কিন্ডারগার্টেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক-১ ও প্রাক-প্রাথমিক-২ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ উৎসবের মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বিদ্যালয়ের হলরুমে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে নবাগত শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান শিক্ষক ও সিনিয়র শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে লালগালিচায় ফুলের তোড়া দিয়ে শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অতিথিবৃন্দ। পরে হলরুমে শিক্ষার্থীদের মাথায় ফুলের ক্রাউন পরিয়ে দেন শিক্ষক ও সিনিয়র শিক্ষার্থীরা। এরপর বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষার্থীরা দলীয় ও একক নৃত্য, গান এবং কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করে। নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের বিভাগীয় উপপরিচালক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয়ের শিক্ষা অফিসার মহিউদ্দিন আহমদ, সিলেট সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার সায়মা সুলতানা, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ সানাউল হক, বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তার চৌধুরী এবং বিদ্যালয়ের পিটিএ সভাপতি মুন্সি ইকবাল। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রোমানা বেগম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী শিক্ষক কুমকুম ইয়াসমিন। বিদ্যালয়ের কল্যাণ সমিতির সভাপতি আক্তার ফারুক লিটনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দিন। তিনি বলেন, “এই বিদ্যালয়ের সুনাম সর্বত্র রয়েছে। আমরা সেই সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। শিক্ষার্থীদের আন্তরিকতার সঙ্গে পাঠদানের মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যৎ সুন্দর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকদের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। আমরা আশা করি, অভিভাবকরা বিদ্যালয়ের নিয়মকানুন মেনে চলবেন।” প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, “আজকের এই নবীনবরণ অনুষ্ঠানে এসে মনে হচ্ছে আমি একটি ফুলের বাগানে এসেছি। শিশুদের শিক্ষাজীবনের শুরুতে শিক্ষকদের এমন সুন্দর অভ্যর্থনা তারা আজীবন মনে রাখবে। একটি শিশুর সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে অভিভাবকদের সচেতন ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শিশুরা বিদ্যালয়ের তুলনায় পরিবারের সঙ্গে বেশি সময় কাটায়। অভিভাবকদের আচরণ ও মূল্যবোধের প্রভাব শিশুদের ওপর পড়ে। তাই বিদ্যালয়ের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও শিশুকালের সঠিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।” অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুশফিকা আক্তার মাহি। পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী পূর্ণা রানী নাথ এবং পবিত্র ত্রিপিটক থেকে পাঠ করেন চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সান্নিধ্যা বড়ুয়া। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেয় পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান জেরিন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে