ভালুকায় ভাঙচুরের ঘটনায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

এফএনএস (মোঃ আলমগীর হোসেন; ভালুকা, ময়মনসিংহ) : | প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম
ভালুকায় ভাঙচুরের ঘটনায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

ময়মনসিংহের ভালুকায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলমের নির্বাচনী প্রচারণায় ধারাবাহিক হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। তিনি এসব ঘটনার জন্য বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের দায়ী করে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম বলেন, গত ২৫ জানুয়ারি বিকালে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে বাটজোর বাজারে গণসংযোগ শুরু করলে ধানের শীষ প্রতীকের কর্মী-সমর্থকরা তার ওপর এবং ‘হরিণ’ প্রতীকের সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করেন। এরপর ভালুকা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে হরিণ প্রতীকের সমর্থক আদি খান শাকিল ও রাফি উল্ল্যাহ চৌধুরীসহ একাধিক কর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহন ভাঙচুর করা হয় এবং একটি নোয়া গাড়ি আটকে রেখে মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা লুট করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়। তিনি আরও জানান, ভালুকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আদি খান শাকিলের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এতে দুটি মোটরসাইকেল পুড়ে যায়। একইভাবে হরিণ প্রতীকের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে একাধিক যানবাহন ও মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সিডস্টোর বাজারে যুবদল নেতা শামীমের কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে শামীম ও খসরুসহ কয়েকজন আহত হন এবং ৭ থেকে ৮টি মোটরসাইকেল পুড়ে যায় বলে দাবি করা হয়। এছাড়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডে খান সোহাগের বাড়িতে হামলা চালিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয় এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। ৬নং ওয়ার্ডের মেজরভিটা এলাকায় তার কর্মী তিয়াস মাহমুদ শুভর বাসায় রাত ৯টা ১০ মিনিট এবং পরবর্তীতে রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে দুই দফা হামলার করা হয়। এ সময় বাসার গেট ভাঙচুর, গালাগালি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডে হরিণ প্রতীকের সমর্থক হাজী এমদাদের বাড়িতেও হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয় এবং একটি মোটরসাইকেল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়। সিডস্টোর বাজারে যুবদল নেতা শামীমের কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে শামীম ও খসরুসহ কয়েকজন আহত হন এবং ৭ থেকে ৮টি মোটরসাইকেল পুড়ে দেয়া হয়।তিনি আরো বলেন ২২ জানুয়ারী থেকে তার কর্মী সমর্থকের উপর হামলা চালায় ধানের শীষের নেতাকর্মীরা এসব ঘটনার অপ্রশাসনের নিকট অভিযোগ করলেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এতে সুষ্ট নিরপেক্ষ নির্বাচন না হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে