আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৩ ( চাঁদপুর সদর-হাইমচর) আসনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি মনোনীত ও গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি চাঁদপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও বাংলাদেশ মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি যুবনেতা, লেখক ও শিক্ষক নেতা কমরেড মো: জাহাঙ্গীর হোসেনের কাস্তে মার্কার সমর্থনে গত ৩ ফেব্রুয়ারি, সন্ধ্যায় চেয়ারম্যান ঘাট এবং ৪ ফেব্রুয়ারি দাসপাড়া, ঘোষপাড়া ও জাফরাবাদের একাংশে গণসংযোগ ও উঠান সভা অনুষ্ঠিত হয়। কাস্তে মার্কার সংসদ সদস্য প্রার্থী কমরেড মো: জাহাঙ্গীর হোসনের সাথে ৩ ফেব্রুয়ারি চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায় অংশ নেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ( সিপিবি) চাঁদপুর জেলা সভাপতি কমরেড জাকির হোসেন মিয়াজী, জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক মো: জহির উদ্দিন বাবর, জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সহ-সভাপতি মো: হেলাল উদ্দিন, জেলা যুব ইউনিয়নের অর্থ সম্পাদক কমল চন্দ্র দাস ও সানাউল্লাহ। ৪ ফেব্রুয়ারি প্রার্থীর সাথে দাসপাড়া, পালপাড়া ও জাফরাবাদে অংশ নেন, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কমরেড জাকির হোসেন মিয়াজী, জেলা বাসদ সমন্বয়ক কমরেড দিপালী রানী দাস, জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক মো: জহির উদ্দিন বাবর, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ডা: শ্যামল চন্দ্র ঘোষ, কৃষক নেতা আশিষ কুমার সরকার, শিব শংকর দাস, জেলা যুব ইউনিয়নের অর্থ সম্পাদক কমল চন্দ্র দাস ও মো: আল আমিন। এ সময় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম চেতনা ছিল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সেটা পুনরুদ্ধার করতে কাস্তে মার্কায় ভোট দিন। উগ্রবাদীদের কারণে সম্প্রীতি বিনষ্ট হয়েছে। ধর্মীয় উগ্রবাদীতা পুঁজিবাদেরই ফল। প্ুঁজিবাদী শাসন পাকাপোক্ত করতে সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়ানো হয়। এতে করে পুঁজিবাদী সরকারগুলোর অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে কৃষি-শিল্প ধ্বংস। তাই কোটি কোটি মানুষ কর্মহীন। সে কারণে দেশের অর্থনৈতিক প্রবাহ গতিশীল নয়। যারা ক্ষমতায় ছিলো তারা নিজেদের আখের গোছাতেই ব্যস্ত ছিল, মানুষের মুক্তির চিন্তা করার সদিচ্ছা এদের ছিলো না। ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ও ধারাবাহিক দুর্নীতিতে সাধারণ মানুষ সর্বশান্ত। আসুন শোষণমুক্ত সমাজ গঠনে পরিবর্তন আনি।তাই পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে এবার কাস্তে মার্কায় ভোট দিন।