দিনাজপুর-১ আসনে নির্বাচনী প্রচার প্রচারোনা এখন তুঙ্গে। প্রার্থীরা ও তাদের কর্মীরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভোটাররে দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাচ্ছে নিজ নিজ প্রতীকে। মাইকিং শ্লোগান, আর ব্যানারে মুখরিত হয়ে উঠেছে হাট-বাজার গ্রাম-মহল্লা। প্রার্থীদের পক্ষে সমর্থ্যকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইছেন। চায়ের দোকান, বাজারের মোড়ে মোড়ে দোকানে। দীর্ঘদিন ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ না থাকায় এবারের নির্বাচন ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের নতুন আগ্রহ প্রকাশ্যে খুব একটা ধরা পড়ছে না। অধিকাংশ ভোটার এখনো নীরব স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, এই নীরবতাই সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলতে পারে নির্বাচনে স্থানীয় প্রার্থীদের পক্ষে। নীরব ভোটরই সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর একটি বিষয় স্পষ্ট ভোটার কম কথা বলছেন: কিন্তু ভোট নিয়ে তাদের আগ্রহ কম নেই। রাজনীতির বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ দিন ভোট না দিতে পারায় ক্ষোভ ও অন্যাচার শেষ মুহুর্তে ভোটের হিসেব পাল্টে দিতে পারে দিনাজপুর-১ আসনে বিএনপি ও জামায়াত শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তবে নীরব ভোটার ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত এবং শেষ মুহুর্তের কৌশলই দিনাজপুর-১ আসনের ভাগ্য নির্ধারন করবে।
দিনাজপুর-১ আসনে পুরোদমে বইছে নির্বাচনী আমেজ। বিএনপি ও জামায়াত সহ অন্যান্য দলের একাধিক প্রার্থী না থাকায় একক প্রার্থীরা জোড়ে সোরে চালাচ্ছেন নির্বাচনী প্রচারনা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উঠান বৈঠক গণসংযোগ।
দিনাজপুর-১ আসন (কাহারোল-বীরগঞ্জ) এই আসনে ২টি উপজেলা ও ১টি পৌরসভা ১৭ টি ইউনিয়ন নিয়ে এই দিনাজপুর-১ আসন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লক্ষ ১৭ হাজার ১শত ৩৩ জন ও হিজড়া ২ জন। পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৮ হাজার ৯শত ১৯ জন ও মহিলা ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ১৮ হাজার ২শত ১২ জন। বীরগঞ্জ উপজেলায় ভোট ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৭৮ হাজার ৩শত ১১জন। পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ৩৯ হাজার ৩ শত ৯১ ও মহিলা ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৯শত ১৯ জন। হিজড়া ১ জন। কাহারোল উপজেলা ভোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৮ শত ২২ জন। পুরুষ ৬৯ হাজার ৫ শত ২৮ জন ও মহিলা ৬৯ হাজার ২ শত ৯৩ জন। হিজড়া ১ জন। ভোট ভোট কেন্দ্র ১২৮ টি। কাহারোল উপজেলা ৪৩ টি ও বীরগঞ্জ উপজেলায় ৮৫ টি।
দিনাজপুর-১ আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরা হলেন বিএনপির প্রার্থী আলহাজ্ব মুনজুরুল ইসলাম, জামায়াত ইসলামী মোঃ মতিউর রহমান, জাতীয় পার্টির মোঃ শাহিনুর ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন এর প্রার্থী এডভোকেট চাঁন মিয়া, জাকের পার্টির প্রার্থী রুঘুনাথ রায় ও গণ অধিকার পরিষদের মোঃ রিজুওয়ানুল হক ইসলাম। সাধারন ভোটাররা মনে করছেন দীর্ঘদিন তারা ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেনি। দিনের ভোট রাতেও মৃত ব্যক্তির ভোটও ফ্যাসিস্টদের দোশররা সীল মেরে দিয়েছিল। এক ফ্যাসিস্ট তো নেই এবার স্বাচ্ছন্দে নিজের ভোট পছন্দের প্রার্থীকে দিতে পারব এলাকার উন্নয়ন বেকার সমস্যা সমাধানে যারা কাজ করবে তরুদের প্রথম ভোট তাদের পক্ষে যাবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে এবার আওয়ামীলীগ মাঠে না থাকায় দিনাজপুর-১ আসনে বিএনপি ও জামাতের প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে। তবে সংখ্যালঘু ভোটার রয়েছে প্রচুর। জামায়াত ও বিএনপির সৃষ্টি রয়েছে এই সংখ্যালঘু ভোটা তাদের দিকে আনার চেষ্টা করছেন। সচেতন ভোটারা বলছেন, তাদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সহ সুযোগ সৃষ্টির দাবী। দিনাজপুর-১ আসনে ভারি কোন শিল্প নেই তাই ভোটারা মনে করছেন, এই অঞ্চলে ভারি শিল্প নেই তাই ভারি শিল্পের তাদের প্রত্যাশা।