কারাবাও কাপের সেমিফাইনালে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে বিদায় করে ফাইনালে উঠেছে ম্যানচেস্টার সিটি। গত বুধবার রাতে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় লেগে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ৩-১ গোলে জয় পায় পেপ গার্দিওলার দল, দুই লেগ মিলিয়ে ৫-১ ব্যবধানে নিশ্চিত হয় ফাইনাল টিকিট। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ আর্সেনাল। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক সিটি প্রথমার্ধেই তিনটি গোল করে ম্যাচ কার্যত নিজেদের করে নেয়। প্রথম ৩০ মিনিটে দুই গোল করেন ওমর মারমুশ। এরপর স্কোরশিটে নাম লেখান তিজানি রেইন্ডার্স। সপ্তম মিনিটেই সিটির স্বপ্নযাত্রা শুরু হয়। বক্সে ঢ়ুকে ড্যান বার্নের চ্যালেঞ্জে বল হারালেও ভাগ্যের সহায়তায় মারমুশের পায়ে লেগে বল উড়ে যায় গোলরক্ষক অ্যারন রামসডেলের মাথার ওপর দিয়ে জালে। এরপর একের পর এক আক্রমণে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ে নিউক্যাসল। কিছু সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি এডি হাওয়ের দল। জো উইলকের দারুণ সুযোগ নষ্ট হওয়া এবং অ্যান্থনি গর্ডনের শট ঠেকিয়ে দেন জেমস ট্রাফোর্ড। শেষ পর্যন্ত মারমুশ আবারও গোল করেন, অঁতোয়া সেমেনিওর ক্রস থেকে কিয়েরান ট্রিপিয়ারের ক্লিয়ারেন্স ভুল হলে কাছ থেকে হেডে জাল খুঁজে নেন তিনি। এরপর গভীর থেকে উঠে এসে আক্রমণ সাজান রেইন্ডার্স, যার ধারাবাহিকতায় নিজেই তৃতীয় গোলটি করেন ডাচ মিডফিল্ডার। নিউক্যাসলের দুর্ভাগ্য আরও বাড়ে বিরতির আগেই, চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন অ্যান্থনি গর্ডন। যদিও দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা চাপ সৃষ্টি করে সফরকারীরা। ৬২তম মিনিটে অ্যান্থনি এলাঙ্গা ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে তিনজনকে কাটিয়ে দারুণ এক শটে গোল করে ব্যবধান কমান। পরে দ্বিতীয় গোলের সুযোগও পান তিনি, তবে শট ঠিকঠাক না হওয়ায় রক্ষা পায় সিটি। দ্বিতীয়ার্ধে সিটি কিছুটা ঢিলেঢালা খেললেও জয় নিয়ে কোনো শঙ্কা ছিল না। শেষদিকে বদলি হিসেবে নামা আরলিং হালান্ড দুটি শটে গোলের সুযোগ তৈরি করলেও সিটির জয়ের ব্যবধান আর বাড়েনি।