আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুরে ৩টি আসন রয়েছে। পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ও ইন্দুরকানি নিয়ে পিরোজপুর ১ আসন, কাউখালী,ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ নিয়ে গঠিত পিরোজপুর ২ আসন এবং সংসদীয় পিরোজপুর ৩ আসন গঠিত হয়েছে মঠবাড়িয়া উপজেলাকে নিয়ে।
এরমধ্যে পিরোজপুর ২ সংসদীয় আসনের ৪ লক্ষ ৫৩ হাজার ২ জন ভোটার ভোট প্রদান করবেন। এর মধ্যে পোস্টার ব্যালটে ৩ হাজার ৯৯২ জন ভোটার ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন। যাদের মধ্যে ৩,হাজার ৮৮ জন পুরুষ এবং ৯০৪ জন নারী ভোটার রয়েছেন। পিরোজপুর ২ আসনে কাউখালী উপজেলার ভোটার সংখ্যা রয়েছে ৬৫ হাজার ৫৩৪ জন। যার মধ্যে ৩২ হাজার ২৮৭ জন পুরুষ এবং ৩৩ হাজার ২৪৪ জন নারী এবং ৩ জন হিজড়া ভোটার রয়েছেন। কাউখালীতে ৩৩ টি কেন্দ্রের ভোট প্রদানের গোপন কক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে ১৩১ টি।
ভোট কেন্দ্রগুলোতে ৩৩ জন ভিজিটিং অফিসার ১৪৩ জন সহকারী ভিজিটিং অফিসার এবং ২৮৬ জন পোলিং অফিসার নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন। ইতিমধ্যেই এদের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা হয়েছে।
উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এই ইউনিয়নগুলি কঁচা, সন্ধ্যা, কালিগংগা, গাবখান ও চিড়াপাড়া এই ৫টি নদী দিয়ে খণ্ড-বিখন্ড করা হয়েছে। যার কারণে নদী খন্ডিত এলাকাগুলো দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ১৮টি ভোট কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। যে কারণে এ সমস্ত দুর্গম এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ও রাস্তাঘাট সংস্কারের কাজ করছে উপজেলা প্রশাসন ও নির্বাচনী কর্তৃপক্ষ। ইতি মধ্যেই উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী, বিজেপি, গোয়েন্দা সংস্থাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে , ৩৩ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৬টি ভোট কেন্দ্রে আগেই সিসি ক্যামেরা সজ্জিত থাকায় বাকি ২৭ টি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা লাগানোর কাজ চলছে।
এ ব্যাপারে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার আসাদুজ্জামান বলেন, উপজেলায় ৩৩ টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৮ টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে। তবে আমরা এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছি। এখানে অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য সবকিছু প্রস্তুত আছে। ইনশাআল্লাহ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন। সেনাবাহিনী, বিজেপি এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সার্বক্ষণিক এ সমস্ত এলাকা পরিদর্শন করছেন।