গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ফুটবল কোচিং একাডেমীর দুই নারী খেলোয়াড় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। তারা হলেন উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের সোহেব মিয়ার কন্যা সাদিয়া আক্তার এবং পলাশবাড়ী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তুলশী কুমার রায়ের কন্যা আদ্রিতা রায়। জানা যায়, ২০১৮ সালে পলাশবাড়ী ফুটবল কোচিং একাডেমী যাত্রা শুরু হয়। শুরু থেকেই জেলার ক্রীড়াঙ্গনে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে। একাডেমীর ছেলে ও মেয়ে উভয়দলই গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে নিয়মিত সাফল্য অর্জন করেছেন। একাডেমীর প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাবেক ফুটবল খেলোয়াড় ও জেলা নারী দলের কোচ সুরুজ হক লিটন। নারী দলের সহকারি কোচ হিসেবে আছেন হাবিবা। ছেলেদের দলের সাথে সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন রাকিব, নিয়ামুল ও মুন। বিকেএসপিতে পড়াশোনার পাশাপাশি উন্নত প্রশিক্ষণ ও ক্রীড়া সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকায় তাদের নিয়ে একাডেমীর কোচ ও কর্মকর্তারা আশাবাদী। ভবিষ্যতে সাদিয়া ও আদ্রিতা জাতীয় দলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারবেন বলেই তাদের বিশ্বাস। উল্লেখ্য; চলতি বছর সারাদেশ থেকে মাত্র ১০ জন খেলোয়াড় বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। এরমধ্যে পলাশবাড়ীর দু’জন থাকায় স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে সৃষ্টি হয়েছে অফুরান আনন্দ ও উচ্ছাস। একাডেমীর সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল হামিদ বলেন, পলাশবাড়ী উপজেলা ফুটবল একাডেমীর দুই নারী ফুটবলার বিকেএসপিতে সুযোগ পাওয়ায় আমরা গর্বিত। এটি একাডেমী ও উপজেলার জন্য বড় অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে কোচ, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবার অবদান রয়েছে। আমি তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি। স্থানীয় ফুটবল প্রেমীরা বলেন, এই সাফল্য শুধু পলাশবাড়ীর নয়, পুরো গাইবান্ধা জেলার। সাদিয়া ও আদ্রিতা আমাদের এলাকার মুখ উজ্জ্বল করেছে। তারা আমাদের অহংকার। তাদের এ অর্জন নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। এই সাফল্যে স্থানীয় ক্রীড়াবিদ, কোচ ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। অনেক উদীয়মান খেলোয়াড়দের এ অর্জন অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।