জামায়াতের আমিরের সফরে পাল্টে যাচ্ছে দৃশ্যপট

এফএনএস (বরিশাল প্রতিবেদক) : | প্রকাশ: ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৪:২২ পিএম
জামায়াতের আমিরের সফরে পাল্টে যাচ্ছে দৃশ্যপট

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারনার ট্রেন চলবে আর মাত্র তিনদিন। সময় গড়ানোর সাথে সাথে উত্তাপ ছড়াচ্ছে নির্বাচনী আলাপ। বরিশালের মেঘনা, কালাবদর ও তেঁতুলিয়া নদীবেষ্টিত দুই উপজেলা হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জ। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে দুর্গম জনপদ হিসেবে পরিচিত এ দুই উপজেলা ও প্রশাসনিক থানা কাজিরহাট নিয়ে গঠিত বরিশাল-৪ আসন। এ আসনের মোট ভোটার ৪ লাখ ২১ হাজার ৯৭৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৭ হাজার ৯৪২ ও নারী ভোটার ২ লাখ ৪ হাজার ৩০ জন। দুর্গম জনপদের এই মানুষের মধ্যে নির্বাচনী আমেজ ছড়িয়ে পরেছে। এ আসনের ভোটের মাঠে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন। এরমধ্যে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী রাজীব আহসান, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা আবদুল জব্বার ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা মার্কার প্রার্থী মুফতী সৈয়দ এছহাক মোহাম্মদ আবুল খায়ের। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ৬ ফেব্রুয়ারি মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা সদরের পাতারহাট সরকারি আরসি কলেজ মাঠে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বারের সমর্থনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধানঅতিথি হিসেবে এসেছিলেন জামায়াতের ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তার আগমনের পরেই বদলে যেতে শুরু করেছে ওই আসনের ভোটের মাঠের দৃশ্যপট। দেশব্যাপী জনপ্রিয় ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের প্রান্তিক জনপদ মেহেন্দিগঞ্জ সফরের পর নড়েচড়ে বসেছেন এলাকার ভোটাররা। অবশ্য নির্বাচনী ডামাডোল বাজার অনেক আগ থেকেই এই আসনের অলিগলি চষে বেড়িয়েছেন দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বার। পাশাপাশি দলটির আমীরের সফরের পর দাঁড়িপাল্লার সমর্থক থেকে শুরু করে এলাকার সাধারণ ভোটারদের মনোবল বৃদ্ধি পেয়েছে। দলের প্রধানের সফরের পর এ আসনের ভোটারদের মাঝে নির্বাচনের ভিন্নরকম উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। হিজলা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. নুরুল আমীন বলেন, দলের আমিরের আগমন ও ভাষণের মধ্যদিয়ে এখানে দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ারের পালে আরো হাওয়া লেগেছে। নিরব ভোটাররাও এখন মুখ খুলতে শুরু করেছেন। তিনি আরও বলেন, সুষ্ঠু ভোট হলে এবং সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলে বিপুল ভোটের ব্যবধানে দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হওয়ার ক্ষেত্র তৈরী হয়েছে।