গত ২৫ ডিসেম্বর রাতে আসামি মনিরুল বাশার লিমন ও তার এক অজ্ঞাত সহযোগী ভিকটিমের (২৫) বাবার বসতবাড়ির ভেন্টিলেটর ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। ভিকটিম একজন বাকপ্রতিবন্ধী ও তালাকপ্রাপ্ত নারী। ঘটনার সময় বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য না থাকার সুযোগ নিয়ে আসামিরা ধারালো ছুরির ভয় দেখিয়ে ভিকটিম ও তার মাকে ওড়না দিয়ে বেঁধে ফেলে। এরপর আসামি মনিরুল বাশার লিমন তার মায়ের সামনেই ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং যাওয়ার সময় স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। উল্লেখ্য যে, আসামি লিমন দীর্ঘদিন যাবৎ ভিকটিমকে কুপ্রস্তাব ও নানাভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। ভিকটিমের বাবা লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করলে থানার মামলা নং- ১১, তারিখ- ২৬/১২/২০২৫ খ্রি., ধারা- ৯(১)/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০২৫) তৎসহ ৪৫৭/৩৮০/৫০৬ পেনাল কোড, ১৮৬০ রুজু হয়। উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধর্ষণে জড়িত আসামিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে অধিনায়ক, র্যাব-১০, ঢাকা বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। উক্ত অধিযাচনপত্রের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় র্যাব-১০ এর উক্ত আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় এবং র্যাব-৫ এর সহযোগীতায় কক্সবাজার সদর মডেল থানাধীন পৌরসভার নতুন বাজার পাহাড়তলী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উল্লেখিত ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় আসামি মনিরুল বাশার লিমন (২৭), পিতা- মৃত আব্দুল মালেক, সাং- নয়নপুর, থানা- রামগঞ্জ, জেলা- লক্ষ্মীপুর’কে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করে যে, সে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করে ছিল। গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।