নদীর অবনতি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং জীবাশ্ম জ্বালানির আগ্রাসী বিস্তারের প্রতিবাদে পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক নাগরিক সংগঠন ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা’ (ধরা) এবং ‘বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাব’ (বিএমটিসি)-এর যৌথ আয়োজনে চলছে এক ব্যতিক্রমী ক্রস-কান্ট্রি হাইকিং অভিযান। “নদীতে প্রাণের কান্না: বৈশ্বিক উষ্ণতার বিরুদ্ধে দাঁড়াও”-এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে গত ২৪ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের রৌমারী থেকে একক পদযাত্রা শুরু করেন ধরা ও বিএমটিসি’র সদস্য অভিযাত্রী মাসফিকুল হাসান টনি। কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার চর ইটালুকান্দা গ্রামের ডিগ্রির চর নামক স্থানে ব্রহ্মপুত্র নদীর বাংলাদেশে প্রবেশমুখ থেকে তিনি ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, পদ্মা ও মেঘনা নদীর পাড় ধরে হেঁটে দীর্ঘ ১৪ দিনে ৪৮৪.৭৭ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বর্তমানে ভোলা জেলায় অবস্থান করছেন। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) অভিযানের ১৬তম দিনে তিনি তার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত যাবার লক্ষ্যে চরফ্যাশনের চর কুকরি-মুকরিতে পৌঁছাবেন। এই দীর্ঘ ও সাহসী পথচলার সাথে সংহতি প্রকাশ করে জীবাশ্ম জ্বালানির বিস্তার, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও নদী ধ্বংসের প্রতিবাদে ধরা ও বিএমটিসি’র যৌথউদ্যোগে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার আলিমদ্দি বাংলাবাজারে একটি ‘সংহতি সমাবেশ’-এর আয়োজন করা হয়েছে। অভিযাত্রী মাসফিকুল হাসান টনি, ধরা’র সদস্য সচিব শরীফ জামিল, রিভারাইন পিপল’র সভাপতি আনোয়ার হোসেন, রিভার বাংলা’র সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মীর মোহাম্মদ আলী, চুনতি রক্ষায় আমরা’র সমন্বয়ক সানজিদা রহমান, ব্রাইটার্স’র পরিচালক সাইদুর রহমান সিয়ামসহ আরও অনেক পরিবেশকর্মী ও স্থানীয় মানুষ এতে অংশগ্রহণ করবেন।