রংপুরে ২১৬টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরমধ্যে রংপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় রয়েছে ১২১টি এবং আট উপজেলায় রয়েছে ৯৫টি ভোটকেন্দ্র। রংপুর জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কার্যালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য মতে, রংপুর সদর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে মোট ৪৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ১১টি, গঙ্গাচড়া উপজেলায় ৮টি, তারাগঞ্জ উপজেলায় ৭ টি, বদরগঞ্জ উপজেলায় ৮টি, মিঠাপুকুর উপজেলায় ৯টি, পীরগঞ্জ উপজেলায় ২৯টি, পীরগাছা উপজেলায় ১১ টি এবং কাউনিয়া উপজেলায় ১২টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। অপরদিকে, রংপুর মেট্রোপলিটনের কোতোয়ালি থানা এলাকায় ৭৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩১টি, হারাগাছ থানা এলাকায় ৪৫ টির মধ্যে ৩৫টি, হাজিরহাট থানা এলাকায় ২৪টির মধ্যে ১৫ টি, মাহিগঞ্জ থানা এলাকায় ২২ টির মধ্যে ১৪টি, পরশুরাম থানা এলাকায় ১৫ টির মধ্যে ১০ টি এবং তাজহাট থানা এলাকায় ২৩ টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৬টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাকি কেন্দ্রগুলো সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হবে। পুলিশ সূত্র জানায়, ভোটার সংখ্যা বেশি, ইতিপূর্বে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর, সীমানা প্রাচীর না থাকা, প্রার্থী বা রাজনৈতিক দলগুলোর প্রভাবশালী নেতার বাড়ি সংলগ্ন কেন্দ্র, দূরবর্তী ও জনবহুল এলাকাসহ বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে এসব কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। রংপুর জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, রংপুর-১ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৩৯টি, ২ আসনে ভোটকেন্দ্র, ১৩৭টি, ৩ আসনে ভোটকেন্দ্র, ১৬৯টি, ৪ আসনে ভোটকেন্দ্র, ১৬৩টি, ৫ আসনে ভোটকেন্দ্র, ১৫২ টি এবং ৬ আসনে ভোটকেন্দ্র ১১৩টিসহ মোট কেন্দ্র ৮৭৩টি। রংপুর-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৫ হাজার ২২৭ জন, ২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮০ হাজার ৯২১ জন, ৩ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৮ হাজার ২২৪ জন, ৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৯ হাজার ৯০৬ জন, ৫ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৯ হাজার ১৮৯ জন এবং ৬ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৭৩৫ জনসহ মোট ভোটার সংখ্যা ২৫ লাখ ৯৯ হাজার ২০২ জন। এরমধ্যে নারী ভোটার ১৩ লাখ ৬ হাজার ৩৩৩ জন, পুরুষ ভোটার ১২ লাখ ৯২ হাজার ৮৩৮ জন এবং হিজড়া ভোটার ৩১ জন।