ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি সাদিক কায়েম মন্তব্য করে বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী হবে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষের লড়াই। মুক্তিকামী ছাত্র জনতা ব্যালটের মাধ্যমে ভারতের আধিপত্যের বিরুদ্ধে অংশ নেবে। সাতক্ষীরা জেলার সদর ও দেবহাটা নিয়ে গঠিত সাতক্ষীরা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের নির্বাচনী সভায় এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে তিনি সাতক্ষীরা-৩ ও ৪ সংসদীয় আসনের নির্বাচনী সভায় বক্তব্য দেন। পরে সাতক্ষীরা-১ আসনের নির্বাচনী সভায় আংশ নেন। বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, জামায়াতের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশের বন্দোবস্ত হবে, যেখানে হিংসা, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির কোনো জায়গা থাকবে না। তিনি বলেন,‘হ্যাঁ’ভোটের মাধ্যমে ৫৪ বছরের মাফিয়া শাসন ও অনিয়মের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। একইসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, জুলাই পরবর্তী সময়ে একটি রাজনৈতিক দল নিজেদের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে শতাধিক নেতাকর্মী হারিয়েছে-তারা কিভাবে দেশের মানুষকে নিরাপত্তা দিতে পারবে? পারবে না। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী জুলাই পরবর্তী সময়ে মানুষের পাশে থেকে নিরাপত্তার হাত বাড়িয়েছে, আগামীতে জামায়াত সরকার গঠন করলে আমার মায়েরা বোনেরা নিরাপদে চলতে পারবে, দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি উন্নয়নে সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা হবে বলে তিনি বলেন। সভায় দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী সাবেক ছাত্রনেতা হাফেজ মাওলানা এইচ এম ইমদাদুল হকের সঞ্চালনায় আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল। প্রধান বক্তা ছিলেন, সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক।
এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতা ড. খলিলুর রহমান মাদানী, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্র অধিকার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মাহবুবুল আলম, অধ্যাপক ওমর ফারুক, এ বি পাটির্ জেলা সভাপতি জিএম সালাউদ্দীন শাকিল,জাগপা ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুর রহমান ফারুকী, এনসিপি জেলা সভাপতি কামরুজ্জামান বুলু, ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি জুবায়ের আহমেদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালের এজিএস মাসুদ রানাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলবৃন্দ।