গাইবান্ধা-১ আসনে জাপা-জামায়াত প্রার্থীর প্রচারণা

এফএনএস (মোঃ ইমদাদুল হক; সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা) : | প্রকাশ: ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৪:৫২ পিএম
গাইবান্ধা-১ আসনে জাপা-জামায়াত প্রার্থীর প্রচারণা

এক সাথে ভোটারদের সাথে নির্বাচনী প্রচারণার করলেন জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান ও জাতীয় পাটির প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। গত শনিবার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ছাইতানতোলা বাজারে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা করতে গেলে একই বাজারে উভয় প্রার্থীর দেখা হয়ে যায়। অবশেষে একই সাথে ভোটারদের সাথে মতবিনিময় করেন দুই প্রার্থী। এ সময় উভয় দলের নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন। কিছুক্ষণ সময় দুই প্রার্থী একান্ত পরিবেশে গল্প করেন। বিষয়টি তাৎক্ষনিক ভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। তবে অনেকে এই বিষয়টি রাজনৈতিক শিষ্টারের একটি ভাল দিক হিসেবে মন্তব্য করেছেন। অভিজ্ঞ মহল মনে করেন রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব থাকা উচিত। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার তুঙ্গে উঠছে। তবে ভোটের মাঠ এখন নারীদের দখলে। প্রার্থীগণ উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮জন প্রার্থী। কিন্তু মাঠে প্রচার- প্রচারণায় রয়েছেন মুলত চারজন প্রার্থী। এর মধ্যে জামায়াতের মো. মাজেদুর রহমান, বিএনপির খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী, জাতীয় পাটির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোস্তফা মহসিন সরদার। অন্য চারজন প্রার্তীকে এখনও মাঠ দেখা যায়নি। তারা হলেন  পরমানন্দ দাস (বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল), মো. কাওছর আজম হান্নু (আমজনতার দল), মোছা. ছালমা আক্তার (স্বতন্ত্র), মো. রমজান আলী (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)। স্ব-স্ব প্রার্থীগণ ও দলীয় নেতা-কর্মীগণ নিজ নিজ দলের জন্য ভোট এবং দোয়া চাচ্ছেন। তবে এখন পর্যন্ত সাধারন ভোটারগণ কোন মার্কাকে ভোট দিবেন তা নিয়ে মুখফুটে বলছেন না।  বিভিন্ন ঘুরে ফিরে খোজ নিয়ে সাধারন ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সংখ্যালঘুসহ সাধারন ভোটারগণ কোন মার্কায় ভোট দিবেন তা বলতে নারাজ। উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পনের ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ভোট সংখ্যঅ ৪ লাখ ১৯ হাজার ১১১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৭ হাজার ৫৭৩ জন, মহিলা ভোটার ২ লাখ ১১ হাজার ৫৩৫ জন, এবং হিজড়া ভোটার ৩ জন। মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১২৩টি। মোট কক্ষের সংখ্যা ৭৭৩টি। এর মধ্যে স্থায়ী কক্ষ ৭০৫টি এবং অস্থায়ী কক্ষ ৬৮টি।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে